জাপান চিহ্নিত করল করোনাভাইরাসের ১৩টি উপসর্গ, যা জানা সবারই দরকার

আজবাংলা  করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাব্য ব্যক্তিদের সতর্কসংকেত হিসেবে উল্লেখ করে ১৩টি উপসর্গ চিহ্নিত করেছে জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে আগে থেকে নিশ্চিত হতে পারলে চিকিৎসাপ্রক্রিয়া যেহেতু সহজ হয়ে যায়। ফলে সেদিক থেকেও এটা হচ্ছে উপকারী এক তালিকা।জাপানে বর্তমানে হালকা উপসর্গ দেখা দেওয়া অনেক রোগীকে বাড়িতে থাকতে কিংবা বিশেষভাবে ব্যবস্থা করে নেওয়া হোটেলে রাখা হচ্ছে। হাসপাতালগুলোর ওপর অযথা চাপ সৃষ্টি হওয়া কিছুটা হলেও কমিয়ে আনতে এই ব্যবস্থা। রোগীদের মধ্যে ১৩টি উপসর্গের যেকোনো একটি দেখা গেলে দ্রুত এদের হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হবে। টোকিওতে যেমন মঙ্গলবার ৭২টি সংক্রমণ চিহ্নিত হওয়ার পর গত দুদিনে সেই সংখ্যা আবারও ৫০-র নিচে নেমে গিয়ে যথাক্রমে ৪৭ ও ৪৬টিতে দাঁড়ায়। অন্যদিকে সারা জাপানে সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার সংখ্যা আজ ছিল ১৫৫টি। এদিকে জাপানে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর মোট সংখ্যা এখন দাঁড়িয়েছে ৪৪৭টি। তালিকাটি এ রকম:
  • ১. ঠোঁট বেগুনি রঙের হয়ে যাওয়া,
  • ২. দ্রুত শ্বাস নেওয়া,
  • ৩. হঠাৎ দম বন্ধ হয়ে আসার অনুভূতি,
  • ৪. অল্প একটু হাঁটাচলা করাতেই শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া,
  • ৫. বুকে ব্যথা,
  • ৬. শুয়ে থাকতে না পারা, উঠে না বসলে শ্বাস নিতে না পারা,
  • ৭. শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া,
  • ৮. হঠাৎ শব্দ করে শ্বাস নিতে শুরু করা,
  • ৯. অনিয়মিত নাড়ির স্পন্দন এবং মনো-নির্ভর ৪টি উপসর্গ হচ্ছে
  •  ১০. মলিন চেহারা,
  • ১১. অদ্ভুত আচরণ করা,
  • ১২. অন্যমনস্কভাবে প্রশ্নের উত্তর দেওয়া,
  • ১৩. বিভ্রান্ত হয়ে যাওয়া, উত্তর দেওয়ায় অপারগতা।