বাঙালিদের বিরদ্ধে উসকানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে জিতেন দত্তকে আটক

তিনসুকিয়া
তিনসুকিয়া

আজবাংলা  তিনসুকিয়া  গুয়াহাটি থেকে তিনসুকিয়া যাওয়ার পথে শিবসাগর জেলার গৌরীসাগরে আটক আলোচনাপন্থী আলফা নেতা জিতেন দত্ত। বাঙালিদের বিরদ্ধে উসকানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে জিতেন দত্তকে আটক করা হয়। সৈখোয়ায় পাঁচ নিরীহ বাঙালিকে নৃশংসভাবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আলোচনাপন্থী আলফার কোনও সম্পর্কে রয়েছে কিনা তা জানতে তাকে জেরা করা হচ্ছে বলে বিশেষ এক সূত্রের খবরে জানা গেছে। প্রসঙ্গত, একই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গুয়াহাটির পানবাজার থানায়ও জেরার পর গ্রেফতার করা হয়েছে আলোচনাপন্থী আলফার আরেক নেতা মৃণাল হাজরিকাকে । বৃহস্পতিবার সন্ধ্যারাতে তিনসুকিয়ার ধলায় অজ্ঞাতপরিচয় কতিপয় বন্দুকধারীর হাতে নৃশংসভাবে পাঁচ ব্যক্তির মৃত্যুর পর টনক নড়েছে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের। সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের পর বাঙালি-বিরোধী প্ররোচনামূলক বক্তব্য প্রদানকারী আলোচনাপন্থী আলফা নেতা মৃণাল হাজরিকাকে জেরার জন্য পানবাজার থানা থেকে সমন পাঠানো হয়। সমন পেয়ে আজ শুক্রবার সকাল প্রায় দশটা নাগাদ থানায় এসে হাজিরা দেন মৃণাল। থানায় বসিয়ে তাকে প্রায় ঘণ্টা-চারেক জেরা করেছেন ষুগ্ম পুলিশ কমিশনার দিগন্ত বরা-সহ অন্য শীর্ষ অফিসাররা। এর পর তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।তিনসুকিয়া জেলার ধলায় সংঘটিত গণহত্যার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ওই ঘটনার পিছনে আলোচনাপন্থী আলফার যোগসাজস থাকতে পারে বলে মনে করেছে পুলিশ প্রশাসন। তিনসুকিয়া গণহত্যার প্রতিবাদে চলছে ২৪ ঘণ্টার বরাক বনধ। অসমের তিনসুকিয়ায় পাঁচ বাঙালি যুবককে হত্যার ঘটনায় বরাত জোরে বেঁচে গিয়েছেন সহদেব নমঃশূদ্র। যেখানে ওই পাঁচ যুবককে বৃহস্পতিবার হত্যা করা হয়েছিল সেই ব্রহ্মপুত্র নদের চরে দাঁড়িয়ে শুক্রবার একটি সর্বভারতীয় টিভি চ্যানেলের ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছিলেন তিনি। সহদেবের চাঞ্চল্যকর দাবি, যতই অস্বীকার করুক এই ঘটনায় উলফা জঙ্গিরাই জড়িত। কারণ হামলাকারীরা জলপাই রঙের সেনা পোশাক পরে এসেছিল। উলফা ছাড়া অসমে কোনও দুষ্কৃতী বা সংগঠন সেনা পোশাক ব্যবহার করে না। ওরা সবাই অসমীয়া ভাষায় কথা বলছিল। ওদের কথাবার্তা, শরীরী ভাষা এবং সঙ্গে থাকা অস্ত্রই বলে দিচ্ছিল ওরা উলফার লোক। তাঁর আশঙ্কা, হিন্দু বাঙালিদের মারতে ওরা আবার হামলা চালাবে।