কর্নাটকে শপথগ্রহণ নেওয়ার পথে বিজেপি

Karnataka to take oath
কর্নাটকে শপথগ্রহণ নেওয়ার পথে বিজেপি

আজ বাংলা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাদের রয়েছে বলে দাবি বিজেপির। কংগ্রেস-জেডিএস  এর মধ্যেই দুই দলের কয়েকজন বিধায়ক ‘নিখোঁজ’ বলে বেঙ্গালুরুর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর। এদিন ইয়েদুরাপ্পা রাজ্যপাল ভাজুভাই ভালার সঙ্গে দেখা করে সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছেন। দেখা করে বেরিয়ে আসার পর ইয়েদুরাপ্পা বলেছেন, এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সমস্ত সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার কথা বলেছেন রাজ্যপাল। রাজ্য বিধানসভার ২২৪ আসনের মধ্যে ১০৪ আসনে জিতে বিজেপি একক সংখ্যারগরিষ্ঠতা পেয়েছে। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাজিক সংখ্যার থেকে কিছুটা দূরেই থামতে হয়েছে গৈরিক দলকে। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাদের রয়েছে বলে দাবি বিজেপির।

এই ধরনের আরো খবর জানতে আমাদের ফেসবুক পাতায় লাইক করুন facebook

তাঁরাই সরকার গঠন করতে পারবেন বলে আত্মবিশ্বাসী ইয়েদুরাপ্পা। তিনি বলেছেন, নির্দল বিধায়ক শঙ্কর বিজেপিকে সমর্থনের প্রস্তাব জানিয়ে চিঠি লিখেছেন।  কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর বলেছেন, অস্বাভাবিক উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা চলছে। সরকার গঠনের জন্য তত্পরতা জেডিএস শিবিরেও। দলের পরিষদীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছেন এইচ ডি কুমারস্বামী। তিনি অভিযোগ করেছেন, ঘুষ দিয়ে ঘোড়া কেনাবেচার মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চাইছে বিজেপি। কুমারস্বামীর অভিযোগ, তাঁর দলের বিধায়কদের ভাঙাতে ১০০ কোটি টাকার টোপ দিয়েছে বিজেপি। তিনি বলেছেন, আমি জানতে চাই ওই অর্থ কালো না, সাদা। জাভড়েকর অবশ্য এই অভিযোগ খারিজ করে বলেছেন, আসলে ওদের বিধায়করাই জোট নিয়ে খুশি নন। বিজেপির বিরুদ্ধে ঘোড়া কেনাবেচার অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদও। তাঁর অভিযোগ, নব নির্বাচিত বিধায়কদের ভাঙাতে চাইছে বিজেপি। তবে বিজেপির এই চেষ্টা ব্যর্থ হবে বলেও দাবি করেছেন তিনি। সংবাদসংস্থার খবর, জেডিএসের পরিষদীয় দলের বৈঠকে গরহাজির ছিলেন দলের দুই নব নির্বাচিত বিধায়ক রাজা ভেঙ্কটপ্পা নায়াকা ও ভেঙ্কট রাও নাদাগৌড়া। এছাড়াও কংগ্রেসের তিন নয়া বিধায়কের খোঁজ মিলছে না বলে খবর। তবে ওই খবর অস্বীকার করেছে কংগ্রেস। দলের পরিষদীয় বৈঠকে প্রায় ডজনখানেক নয়ানির্বাচিত বিধায়কের অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা জি পরমেশ্বর বলেছেন, কয়েকজন দেরিতে এসেছেন। কারণ, তাঁর বিশেষ বিমানে বিদর থেকে এসেছেন। কংগ্রেস আর জেডি(এস) বৃহস্পতিবার থেকেই নিজেদের জয়ী প্রার্থীদের এক জায়গায় এনে ঘর বাঁচানোর চেষ্টায় মরিয়া। কিন্তু এর মধ্যেই দুই দলের কয়েকজন বিধায়ক ‘নিখোঁজ’ বলে বেঙ্গালুরুর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর।