সুশান্ত সিং রাজপুতের স্মৃতি আঁকড়ে ধরে হতবাক খড়গপুর

আজবাংলা    খড়গপুর     বাস্তবের ধোনি বিষন্ন। বলছেন, সঙ্গে থাকো সুশান্ত। খড়গপুর হতবাক। মনে পড়ে যায়, ২০১৫ সালের জুন মাসেরই কথা। খড়গপুর স্টেশনে টিকিট চেকারের সাজে সুশান্ত সিং রাজপুত। স্টেশন থেকে শেরশাহ স্টেডিয়ামে প্র্যাকটিস। পুলিশ সুপারের বাংলো পেরিয়ে টমাসের দোকানে চা খেতে যেতেন সুশান্ত। ধোনির মতই, বড় বড় চুল। যেন একইরকম দেখতে। টমাসও চমকে যেতেন। পরে ভুল ভাঙত। বুঝতেন, ধোনির বায়োপিকের শ্যুটিং হচ্ছে। আর ক্রিকেটারের আদবকায়দা এমন রপ্ত করেছেন অভিনেতা, যে বোঝা দায়।দু’মাস খড়গপুর আইআইটির গেস্ট হাউসে ছিলেন সুশান্ত। ধোনির প্রিয় বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতেন। ফুচকা খেতে যেতেন। পর্দার ধোনির হাতে পুরস্কার তুলে দিয়েছিলেন তখনকার পুরপ্রধান প্রদীপ সরকার। সব মনে পড়ে যাচ্ছে। খড়গপুর স্টেশনে ট্রেন দাঁড়িয়ে। বসে আছেন এক টিকিট চেকার। উঠবেন কি উঠবেন না। ভাবছেন। না, পর্দার মাহি ট্রেনটা ছাড়েননি। রিলের ধোনি রিয়ালে কিন্তু ট্রেনটা মিস করে গেলেন। খড়গপুরের অনেক গল্প অজানাই থেকে গেল।সাধারণ টিকিট চেকার। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কঠিন পরিশ্রম করেন। প্র্যাকটিস করেন। স্বপ্ন দেখেন স্বপ্ন ছোঁয়ার। বাইশ গজকে বশ করার। চাকরিটা করবেন? না কি ইচ্ছেডানায় ভেসে যাবেন? ভাবতে ভাবতে সময় বয়ে গেল। সামনে ক্রিকেট কেরিয়ারের হাতছানি। স্টেশনে রেলগাড়িটা সেদিন আগামীর রাস্তা দেখিয়েছিল পর্দার ধোনিকে। সেসব কথা বুকে করে রেখেছিল খড়গপুর। কিন্তু, রিলের ধোনি ট্রেনটায় চাপলেনই না। চলে গেলেন কোনও অজানা দেশে। হয়ে গেলেন ‘দ্য আনটোল্ড স্টোরি’। খড়গপুরের কত না বলা কথা থেকে গেল।