করোনাকে তুচ্ছ করে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন মানালি-অভিমন্যু

করোনাকে তুচ্ছ করে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন মানালি-অভিমন্যু

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সোমবার সাত পাকে বাঁধা পড়লেন অভিনেত্রী মানালি দে ও পরিচালক অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়। বিয়েটা আর পাঁচটা বিয়ের মতন ছিল না। ছিলনা কোন আড়ম্বর।

ঘরোয়া পরিবেশে একদম সাদামাটা ভাবেই, করোনা আবহ, লকডাউন এই সবকিছুকে উপেক্ষা করেই বিয়েটা সেরে ফেললেন টলিপাড়ার এই যুগল।

বাঙালি কন্যার লাল টুকটুকে বেনারসি, মাথায় মুকুট এসব কোনওকিছুই দেখা মিললনা মানালির বিয়েতে। আইবুড়োভাত থেকে গায়ে হলুদ, বিয়ের যাবতীয় আচার-অনুষ্ঠানকে দূরে সরিয়ে, করোনা আবহে শুধু মালাবদল ও সিঁদুরদানের মধ্য দিয়ে বিয়ে সারলেন মানালি-অভিমন্যু।

শাশুড়ির কাছ থেকে উপহারে এল গোলাপি শাড়ি। কনের সাজে সন্ধ্যাবেলা অভিমন্যুর বাড়ি পৌঁছন মানালি। দু’টি পরিবারের সদস্য ও বিশেষ কয়েকজন বন্ধুর উপস্থিতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বিয়ের পরে সংবাদ মাধ্যম কে মানালি জানান, ‘‘করোনাভাইরাসের প্রকোপ না হলে বিয়েটা আরও বড় করে হত। গত ১৫ অগস্ট রেজিস্ট্রির দিন অভিমন্যুর মা কলকাতায় ছিলেন না। উনি ফিরতেই তাড়াতাড়ি বিয়েটা সেরে নিতে হল।’’

অভিমন্যু জানালেন, ‘‘আজকের দিনটা সত্যিই আনন্দের। এখন বিয়ে করার কারণ একটাই, অনেকটা সময় দিতে পারব পরিবারকে।’’

এ দিন মানালিকে হিরের আংটি উপহার দেন অভিমন্যু। বিয়ের মেনুও ছিল বেশ খাসা। বিয়ের মেনুতে ছিল যুগলের পছন্দের মাটন বিরিয়ানি ও মাটন কষা।

তবে এই পরিস্থিতিতে হানিমুনের প্ল্যান এখন করতে উঠতে পারেননি তবে আপাতত তাদের হানিমুন ডেস্টিনেশন শান্তিনিকেতন মানালির বাড়িই।

মানালির মতে, ''পরিচালক অভিমন্যুর সঙ্গে আমার প্রেম 'নিমকি ফুলকি' ছবির শুটিংয়ে। রেজিস্ট্রি হওয়ার পরে দ্বিতীয়বার একসঙ্গে কাজ করলাম 'নিমকি ফুলকি ২'-এ।'' সংসারী মানালিকে পেয়ে অভিমন্যু খুশি। কিন্তু হবু বরের প্রতি মানালির অভিযোগ, ''অভিমন্যু রাত জেগে টিভি দেখে বলে সঙ্গে আইমাস্ক এনেছি। ঘুমের ভালমতোই ব্যাঘাত হতে পারে।''