কর্নাটকে ৯৯-১০৫ ভোটে হারলেন কুমারস্বামী।মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন বিএস ইয়েদুরাপ্পা।

আজবাংলা মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিলেন এইচ ডি কুমারস্বামী। আজই রাজ্যপালের কাছে ইস্তফাপত্র দিয়েছেন তিনি । বিধানসভায় আজই আস্থা ভোটে পরাজিত হয়েছে কংগ্রেস-জেডিএস জোট । আজ সন্ধ্যা ছ’টায় আস্থা ভোট নেওয়া হবে, আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন স্পিকার। সেই মতো আস্থা ভোট হয়। স্পিকার  জানিয়ে দেন, ৯৯ ভোট গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামীর পক্ষে। অন্য দিকে বিজেপির পক্ষে গিয়েছে ১০৫ ভোট।গত ১০-১১ দিন ধরে চরম স্নায়ুর যুদ্ধ চলেছে কংগ্রেস, বিজেপি, জেডিএস সব শিবিরেই। দু’টি মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। স্পিকার ওই ১৮ জনের ইস্তফা গ্রহণ করেননি। বিদ্রোহী বিধায়করা মুম্বইয়ের একটি হোটেলে গিয়ে ওঠেন এবং স্পষ্ট জানিয়ে দেন আস্থা ভোট না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা বেঙ্গালুরু যাবেন না। তার মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই আস্থা ভোট নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হলেও বার বার তা পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে কংগ্রেস-জেডিএস জোট। এমনকি দু’দুবার রাজ্যপাল চরম সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পরও আস্থা ভোট হয়নি। কিন্তু শেষ রক্ষা করতে পারলেন না কুমারস্বামী। সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে কর্নাটকের সরকার পতন হলই। এ মাসের গোড়ার দিক থেকেই একের পর এক জেডিএস এবং কংগ্রেসের বিধায়করা ইস্তফা দিতে শুরু করেন। দু’দল মিলিয়ে সেই সংখ্যা দাঁড়ায় ১৬ জন। এর সঙ্গে দুই নির্দল বিধায়কও ইস্তফা দেন। তাঁরাও কুমারস্বামী সরকারকে সমর্থন করেছিলেন। কর্নাটক বিধানসভায় মোট আসন ২২৫। তার মধ্যে জোটের পক্ষে ছিল ১১৮ জন। ১৮ জনের ইস্তফা দেওয়ায় জোটের পক্ষে বিধায়ক সংখ্যা দাঁড়ায় ১০০। এই পরিস্থিতি বিজেপি শিবিরের প্রধান তথা বিরোধী দলনেতা ইয়েদুরাপ্পার নেতৃত্বে বিজেপি যখন অনাস্থা প্রস্তাব আনার তোড়জোড় শুরু করেন, তখনই পাল্টা চালে নিজেই আস্থা ভোটে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেন কুমারস্বামী।কুমারস্বামী সরকারের পতনের পর চতুর্থবার কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন বিএস ইয়েদুরাপ্পা।