লালুপুত্র তেজপ্রতাপ যাদবের বিয়ের ছ’মাসের মাথায় বিবাহ বিচ্ছেদে।

Laluchutra Tej Pratap Yadav is married after six months
ঐশ্বর্যার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তেজপ্রতাপের

আজবাংলা  শুক্রবার পাটনা আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা রুজু করেন লালুপুত্র তেজপ্রতাপ যাদব। তিনি বলেন এটা সত্যি যে আমি বিচ্ছেদের মামলা রুজু করেছি। ধুঁকে ধুঁকে বাঁচার তো কোনও অর্থই হয় না। তার থেকে এই ভাল। চলতি বছর ১৮ এপ্রিল ঐশ্বর্য রাইয়ের সঙ্গে বাগদান পর্ব সারেন তেজপ্রতাপ যাদব। ১২ মে হয় বিয়ে। ছেলের বিয়েতে উপস্থিত থাকতে প্যারোলে জেল থেকে বাইরে এসেছিলেন আরজেডি প্রধান লালু প্রসাদ যাদব। ২০০টি গাড়ি ও ঘোড়া সঙ্গে নিয়ে বিবাহ আসরে পৌঁছেছিলেন তেজপ্রতাপ। জমকালো সেই বিয়ের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার, রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক-সহ রাজনৈতিক জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। তেজপ্রতাপের স্ত্রী ঐশ্বর্য রাইয়ের পরিবারও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর বাবা চন্দ্রিকা রাই প্রাক্তন মন্ত্রী তথা আরজেডি নেতা। সুতরাং দুই পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক নিবিড়ই ছিল। এরপরেও তেজপ্রতাপ আচমকা কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন, তা এথনও স্পষ্ট নয়। ধুঁকে ধুঁকে বাঁচা বলতে তিনি কী বোঝাতে চেয়েছেন, তারই উত্তর খুঁজছে সাংবাদিক মহল। এদিকে এই বিচ্ছেদ মামলার শুনানির দিন ধার্য হয়েছে আগামী ২৯ নভেম্বর।  সম্প্রতি ছোট ভাই তেজস্বীর সঙ্গে তেজপ্রতাপের মনোমালিন্যের খবর বেশ জলঘোলা করেছিল। একটি টুইটে সেই জল্পনা নিজেই উসকে দিয়েছিলেন বিহারের প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। টুইটে তেজপ্রতাপ জানিয়েছিলেন, ‘অর্জুনকে হস্তিনাপুরের সিংহাসনে বসিয়ে আমি দ্বারকা চলে যেতে চাই’। তখন থেকেই শুরু হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ছেলের রাজনীতি ত্যাগের জল্পনা।  ওই দিন সন্ধ্যাতেই লালুর সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল তাঁর। সে জন্য মামলা দায়েরের পর সোজা রাঁচী উড়ে যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে চলেও যান তিনি। তারপরেই নাকি মত পরিবর্তন করেন। বিমানবন্দর থেকে সোজা বাড়ি ফিরে আসেন।