কাশ্মীরে এনকাউন্টারে খতম প্রথমসারির হিজবুল জঙ্গি রিয়াজ নাইকু

আজবাংলা   সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিজবুল মুজাহিদিনের শীর্ষ নেতা রিয়াজ নাইকুকে আট বছর ধরে খুঁজছিল পুলিশ। মঙ্গলবার রাত ১টা থেকে শুরু হয় অপারেশন। দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামার বেগপোরা গ্রামের একটি বাড়িতে হিজবুলের চিফ কম্যান্ডার রিয়াজ নাইকুকে ঘিরে ফেলে সেনাবাহিনী। বুধবার সকালে সেনা সূত্রে জানানো হয়, এক জঙ্গি নিকেশ হয়েছে। গোটা বাড়ি ঘিরে রেখেছে রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, সিআরপিএফ ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের স্পেশাল অপারেশনস গ্রুপ।গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, ২০১৬ সালের ৮ জুলাই অনন্তনাগের কোকারনাগে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পর উপত্যকায় হিজবুলের প্রধান হয়ে উঠেছিল রিয়াজ। পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠনের প্রধান সইদ সালাউদ্দিনের ঘনিষ্ঠ ছিল সে। ২০১৭ সালে সালাউদ্দিনকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি হিসেবে ঘোষণা করেছিল আমেরিকা। স্নাতকোত্তর রিয়াজের মাথার দাম ছিল ১২ লাখ টাকা।জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে জঙ্গি গতিবিধির খবর পেয়ে বেইগপুরা এলাকা ঘিরে ফেলে যৌথ বাহিনী।  সকাল হতেই শুরু হয় অভিযানের প্রস্তুতি। এর পর  সকাল ন’টা নাগাদ জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ জানায়, ওই এলাকায় ঘিরে ফেলা হয়েছে হিজবুল মুজাহিদিনের এক শীর্ষ জঙ্গিকে। জম্মু-কাশ্মীরের ১০টি জেলাতেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট কানেকশন। পরে পুলিশ ও সেনার বিভিন্ন সূত্রে খবর মেলে, ওই জঙ্গি আসলে হিজবুল মুজাহিদিনের জম্মু-কাশ্মীরের দায়িত্বপ্রাপ্ত জঙ্গি কমান্ডার রিয়াজ নাইকু। ধীরে ধীরে ঘিরে ফেলা এলাকা ছোট করে আনতে থাকে যৌথ বাহিনী। তখন একটি বাড়িতে আশ্রয় নেয় রিয়াজ নাইকু। তার পরেই বিস্ফোরণে ওই বাড়িটি উড়িয়ে দেয় বাহিনী। পরে তল্লাশি চালিয়ে দুই জঙ্গির দেহ উদ্ধার হয়। তার মধ্যে এক জন রিয়াজ নাইকু বলে শনাক্ত করেছে যৌথ বাহিনী।