ত্রিভুবনে বজরঙ্গবলির মত শক্তিশালী কেউ নেই, তাঁর সিংহ গর্জনে কাঁপে পৃথিবী

ত্রিভুবনে বজরঙ্গবলির মত শক্তিশালী কেউ নেই, তাঁর সিংহ গর্জনে কাঁপে পৃথিবী

আজবাংলা        জীবের কুমতি বিনাশ করে সুমতি দেন স্বয়ং সঙ্কটমোচক | বজরঙ্গবলির বিশেষ শক্তিতে সারা পৃথিবী আজ শক্তিমান তিনি জীবের কুমতি বিনাশ করে সুমতি দান করেন ৷ তিনিই জীবের সকল কামনা বাসনা পূরণ করতে সক্ষম ৷ 

একমাত্র পবনপুত্র হনুমানের পুজো করলেই মনের ষোলোকলা পূর্ণ হয় ৷ তিনিই জীবের সমস্ত কুমতি বিনাশ করে সুমতি প্রদান করে থাকেন ৷ ত্রিভুবনে বজরঙ্গবলির মত কেউ শক্তিশালী নেই, তাঁরই সিংহ গর্জনে পৃথিবী কাঁপে ৷ 

হনুমানের পুজো করেই পার্থিব সমস্ত কিছুকেই জয় করা সম্ভব ৷ সৃষ্টি আদি ও অনন্ত রূপ তিনিই ৷ তিনি অঞ্জনা পুত্র ও পবন তনয় অর্থাৎ পবনদেবের ছেলে ৷ তাঁর তেজের কাছে পৃথিবীর কোনও তেজই যথার্থ নয় ৷ বজরঙ্গবলি জীবের কামনা বাসনা পূরণ করেন ৷ 

জীবনের সঙ্কটের মুহূর্তে বজরঙ্গবলির কৃপায় জীবন সুন্দর হয়ে ওঠে ৷ রামের সেবা করে হনুমান ত্রিলোকে নিজের এক আলাদা প্রতিমূর্তি সৃষ্টি করেছেন ৷ 

জীবনের মহাকষ্ট দূর হয় যদি ১০৮ বার হনুমান চল্লিশা পাঠ করা হয় ৷ বাধা বিপত্তি কাটে এক নিমেষষেই ৷ অঞ্জনিপত্র পবনসুতোর কৃপায় জীবন অত্যন্ত সুন্দর হয়ে ওঠে ৷ মহাবীর বজরঙ্গবলির কৃপায় জীবের কুমতি দূর হয়ে সুমতি প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে ৷ 

জগৎ সংসার একমাত্র তাঁর কৃপাতেই চলে ৷ সংসারের সব থেকে মঙ্গলময় রূপ  তিনিই | হনুমান চল্লিশা রচনা করেছেন স্বয়ং মহাদেব ৷ প্রতিদিন হনুমান চল্লিশা পাঠ করলে জীবনের সমস্ত দুর্যোগের কালোমেঘ কেটে যায় ৷ 

হনুমান চল্লিশা রোজ পাঠ করলে জীবনে আসে এক স্থিরতা ৷ সেই ব্যক্তি মৃত্যুর পরেও হরিভক্ত থাকেন ৷ একমাত্র তাঁর উপাসনা করলেই জীবের সমস্ত মনবাঞ্ছা পূরণ হয় ৷ অন্য কোনও দেবতার পুজো করতে হয়না ৷