হুগলি শ্রীরামপুরের জাগ্রত মা শ্মশান কালী পূরণ করেন ভক্তের মনস্কামনা

হুগলি শ্রীরামপুরের জাগ্রত মা শ্মশান কালী পূরণ করেন ভক্তের মনস্কামনা
আজবাংলা       শ্মশান কথাটির অর্থ মাতৃ স্থান | যেখানে মানুষ মারা যাওয়ার পর তাকে দাহ করা হয় | শ্মশান একটি প্রবিত্র স্থান | শ্মশানে কালী পুজো করার অর্থ হল মানুষ তার শেষ জীবনে যেন মায়ের কোলে আশ্রয় পান এবং তাতে যেন সেই মানুষটি শান্তি ও আনন্দ পান | শ্রীরামপুরের মা শ্মশান কালীর অবস্থিতি শ্রীরামপুরের শ্মশান ঘাটের পাশেই | মায়ের মন্দিরের পাশ দিয়েই বয়ে চলছে গঙ্গা | মায়ের পুজোর সময় লক্ষ লক্ষ মানুষ এসে জোর হন মায়ের আশীর্বাদের জন্য | হুগলি থেকে থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ আসেন মায়ের পুজো দিতে | মা শ্মশান কালী সর্বক্ষেত্রী ভীষণ জাগ্রত | শ্রীরামপুরে মায়ের মন্দির খুবই বিখ্যাত | মায়ের পুজো আচ্ছা ও মন্দির পরিচালনা করেন 'সর্বজনীন শ্মশান কালী পুজো কমিটি' | স্থানীয় ক্লাব সবুজ সংঘ, সৌরভ সংঘ এবং তাদের সদস্যদের সহায়তায় সংগঠিত হয়ে মায়ের পুজো সম্পন্ন হয় | ১৬০ বছরের বেশি সময় ধরে মা এখানে পূজিত হয়ে আসছেন | মায়ের পুজা প্রতি বছর নারকল ফাটিয়ে শুরু করা হয় | তারসঙ্গে মায়ের বরণ তিনটি ভাগে করা হয়ে থাকে | চণ্ডীপুজা দিয়ে মায়ের পুজা শুরু হয়ে থাকে | মায়ের পুজার পবিত্র দিনে দূর দুরান্ত থেকে মায়ের ভক্তেরা মায়ের কাছে আশীর্বাদ এবং নিজের মনবাসনা পূরণের ফলস্বরূপ দন্তি দিয়ে থাকে | সকাল ৭ তা শুরু হয়ে তা চলতে থাকে রাত্রি ৭ পর্যন্ত | এরি মাঝে চলে মায়ের বিধি পূর্বক সকল আচার অনুষ্ঠান | পাশাপাশি শ্মশানকালী মায়ের পুজোর প্রসাদী ফল মন্দির কমিটির তরফ থেকে শ্রীরামপুর অয়ালস হাসপাতালে , শ্রীরামপুর টিবি হাসপাতালে , চেসারস হোমে , এবং শ্রীরামপুর শ্রমজীবী হাসপাতালে , বিতরণ করা হয় | মায়ের আশীর্বাদই তারা সকলের মধ্যে ভাগ করে নেন |