১০০ ফুট নীচে কুয়োর ভিতরে জলের মধ্যে বিরাজ করছেন মহাদেব

১০০ ফুট নীচে কুয়োর ভিতরে জলের মধ্যে বিরাজ করছেন মহাদেব
আজবাংলা       অনেকের অজানা এই মন্দির | দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত মহাদেবের মন্দির | বহু প্রাচীন মন্দির আছে যা রহস্যে মোড়া | প্রতিটি মন্দিরের নেপথ্যে রয়েছে নানা কাহিনি | সেই রকমই আরও এক রহস্য মন্দির অবস্থিত বারাণসী শহর বা বেনারসে | মহাদেবের এই প্রাচীন মন্দিরটি বারাণসীর নাগকুয়ো নাম পরিচিত | এখানে মহাদেব বিরাজ করছেন ১০০ ফুট নিচে কুয়োর ভিতরে | এই মন্দিরে মহাদেব শিবলিঙ্গ জ্ঞানে পূজিত হয়ে আসছেন | পুরান মোতে জানা গিয়েছে, মহাদেবের এই শিবলিঙ্গ কুয়োর ভিতরে প্রতিষ্টা করেছিলেন মহর্ষি পতঞ্জলি | জানা যায় তিনি নিজের হাতে এই কুয়ো খোদাই করে এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন | এই কুয়োর বয়স কম করে ২০৭৪ বছর | শ্রাবণ মাসের শুক্ল পঞ্চমী তিথিতে নাগ পঞ্চমী | এই বছর নাগপঞ্চমী পড়েছে ২৫ জুলাই | এই দিনটাতেই ভক্তদের ঢোল নাম এই প্রাচীন মহাদেবের মন্দিরে | হাজার হাজার ভক্ত আসেন বাবার দর্শনের জন্য | নিজেরদের মনোস্কামনা জানিয়ে আশীর্বাদ নিয়ে ভক্তরা দর্শন করেন বাবার | শিবলিঙ্গের দর্শনের জন্য সকল ভক্তকে নামতে হয় নাগকুয়োয় ভিতরে | কুয়োর ভেতরেই রয়েছে ধাপে ধাপে সিঁড়ি | সেই সিঁড়ি দিয়েই নেমে ভক্তরা পৌঁছন বাবার কাছে | কুয়োর ভিতরে নামতে গেলে দক্ষিণে ৪০ টি ধাপ, পশ্চিমে ৩৭টি ধাপ, উত্তর ও পূর্বে রয়েছে ৬০টি ধাপ রয়েছে | সমস্ত ভক্তরা ধাপ ধাপে নেমে পৌঁছে যান বাবার কাছে | গিয়ে বাবার পুজো দেন | কিন্তু অবাক করা এক কান্ড আছে | কুয়োর ভিতরে জলের মধ্যেই মহাদেবের শিবলিঙ্গ বিরাজ করেছেন | ক্রমাগত সেই কুয়োর দেওয়াল বেয়ে জল নেমেই চলেছে | কিন্তু সেই জলের উৎস কী, তা আজও অজানা |