দুই নদীর সাঁড়াশি আক্রমণে দিশেহারা রতুয়ার মহানন্দাটোলা ও বিলাইমারী অঞ্চলের মানুষ।

Mahanandatola and Bileimari region of Ratua
দুই নদীর সাঁড়াশি আক্রমণে দিশেহারা

আজবাংলা মালদা : গঙ্গার ভাঙ্গন অন্যদিকে ফুলহারের প্লাবন, নদীর সাঁড়াশি আক্রমণে দিশেহারা রতুয়ার মহানন্দাটোলা ও বিলাইমারী অঞ্চলের মানুষ।ফুলহারের জলে প্লাবিত হয়েছে এই দুটি অঞ্চলের ১৯ টি গ্রাম।জল যন্ত্রনায় ভুগছে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ।সর্বত্রই ত্রাণের হাহাকার।প্রশাসনের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ দুর্গতরা। ইতিমধ্যে বিপদ সীমা ছাড়িয়ে উত্তাল গঙ্গা-ফুলাহার।ফুলহারের জল ঢুকেছে গ্রামে সাথে ওপাশে গঙ্গায় চলছে ভাঙ্গন।নিশ্চিহ্ন হচ্ছে হচ্ছে একের পর এক জমি বাড়ি।এর মাঝেই ফুলহারের জল ফুলে ফেঁপে ঢুকেছে গ্রামে।নদীর এই সাঁড়াশি আক্রমণ যেন গদের ওপর বিষফোঁড়া হয়েছে দুর্গতদের।মালদার রতুয়া ১ নম্বর ব্লকের বিলাইমারী ও মহানন্দাটোলা অঞ্চলে চোখ ফেরালেই শুধু জল আর জল।ঘরে ঢুকেছে ফুলহারের জল।রাস্তা থেকে ঘর সর্বত্রই এখন জলের তলায়।এই অবস্থায় অর্ধাহার অনাহারে জল যন্ত্রনায় দিন কাটাচ্ছে দুটি অঞ্চলের ১৯ গ্রামের প্রায় ৭০ হাজার মানুষ।পৌঁছায়নি ত্রাণ সামগ্রী সহ প্রশাসনের আমলারা।বিচ্ছিন্ন হয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। প্রশাসনের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ। এই ধরনের আরো খবর জানতে আমাদের ফেসবুক পাতায় লাইক করুন

 

 

এলাকা বাসীর অভিযোগ ,গত প্রায় ৫ দিন ধরে গ্রামে জল ঢুকেছে।তবুও কারোর হুস নেই।দিন কয়েক আগে এলাকায় জেলাশাসক ও বিডিও এসেছিলেন।কিন্তু যেসমস্ত জায়গা জলমগ্ন নেই সেগুলোই ঘুরে গেছে বিডিও জেলাশাসক।দুটি অঞ্চলের আজ প্রায় ৭০ হাজার মানুষ জলমগ্ন।বাজিতপুর, সম্বলপুর, কতুয়ালি ,গোবিন্দপুর সহ ১৯ টি গ্রাম জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। সরকারের কাছে উপযুক্ত ত্রাণ সামগ্রী আমরা চায়।জল রোজই বাড়ছে।অনাহারে মানুষ দিন কাটালেও এখনো কোনো ট্রেন সামগ্রী পৌঁছায়নি এলাকায়। এদিকে গ্রামবাসীদের ওই অভিযোগ কার্যত স্বীকার করেছেন মহানন্দটোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কিরণ মাঝি।তিনি জানান, ত্রাণের জন্য বিডিও সাহেবকে জানানো হয়েছে।দুটো গ্রামে সামান্য কিছু ত্রাণ সামগ্রী দিলেও বাকি গ্রাম গুলিতে এখনো কিছু ত্রাণ পৌঁছায়নি।মানুষ খুব যন্ত্রনায় রয়েছে।যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ব্লক প্রশাসনের তরফে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে বলেই জানান প্রধান।