মালদায় রতুয়া ১ নম্বর ব্লকে ফুলহার নদীর জলের তোরে ভাঙলো নদী বাঁধ।

আজবাংলা মালদা : ফুলহারের তোরে ভাঙলো রতুয়ায় নদী বাঁধ। মালদার রতুয়া ১ নম্বর ব্লকের কাহালা গ্রাম পঞ্চায়েতের সূর্যাপুর এলাকার বাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেলো ফুলহার নদীর গর্ভে।নদীতে সামান্য জল বাড়লেই জল ঢুকে প্লাবিত করবে বিস্তীর্ণ এলাকা।ফুলাহারের ছোবলে তলিয়ে যাচ্ছে বিঘার পর বিঘা জমি বাগান।যে কোনো সময় জল ঢুকে রতুয়ার বিস্তীর্ন এলাকাকে প্লাবিত করবে ফুলাহার বলেই আশঙ্কা গ্রামবাসীদের।ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে রাজ্য সরকার ও সেচ দপ্তরের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপি সংসদ খগেন মুর্মু।জল আটকাতে তৎপরতায় কাজ চালাচ্ছে প্রশাসন।ফুলাহার নিজ রুদ্র রূপে।রতুয়া ১ ব্লকের কাহালা অঞ্চলের সূর্যাপুর ও দেবীপুর এলাকায় টানা ভাঙ্গন অব্যাহত।রবিবার বাঁধের সম্পূর্ণ অংশই ফুলহার নদীগর্ভে তলিয়ে গেলো।সূর্য্যাপুর ও দেবীপুর গ্রামের মানুষ আতঙ্কিত।নদীর জল সামান্য বাড়তেই গ্রামে জল ঢুকে যাবে বলেই আশঙ্কা করছে গ্রামবাসী।সেই জল গোটা রতুয়া ব্লককে প্লাবিত করবে।তবে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বাঁধ মেরামতির কাজ শুরু করেছে সেচ দপ্তর।আর সেই কাজ যে যথেষ্ট নয় তা ফুলাহার নদী বাঁধকে নিজ গর্ভে নিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভাঙ্গনের সমস্যা নতুন নয়। গত কয়েক দশক ধরেই এই এলাকার মানুষ তলিয়ে যেতে দেখেছে বহু জমি-বাগান-বাড়ি নদী গর্ভে তলিয়ে যেতে।প্রতিবার সুখ মরসুম বাদ দিয়ে নদী যখন রুদ্র রূপে থাকে তখন শেষ মুহূর্তে কাজ শুরু করে প্রশাসন।কিন্তু এবারে বাঁধ ভেঙেই গেলো।একটু জল বাড়লেই জল ঢুকে প্লাবিত করবে রতুয়া-১ ব্লকের দেবীপুর,কাহালা , বাহারাল সহ একাধিক অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা। কাজ চললেও তা যথেষ্ঠ নয়।এদিন এই বাঁধ পরিদর্শনে যান উত্তর মালদা কেন্দ্রের বিজেপি সংসদ খগেন মুর্মু।ভাঙ্গনের এমন দুর্দশার জন্য রাজ্য সরকার ও সেচ দপ্তরকেই দায়ী করেছেন বিজেপি সংসদ।তিনি এদিন বলেন,আলকানে যা কাজ হয়েছে তা কেবল নাম মাত্র।এতদিন এলাকায় আসে পিকনিক করে গেছে সেচ দপ্তরের কর্তারা।আমি এই বিষয়ে ফারাক্কা বেরেজ কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি।কিন্তু এটা রাজ্য সরকারের দায়িত্ব এই দিক দেখান।কেন্দ্র সরকার টাকা দেয় বাঁধ মেরামতির জন্য রাজ্য সরকারকে।কিন্তু রাজ্য সরকারের সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা কাজের নামে এখানে পিকনিক করে ফিরে গেছে।এত মানুষের এই অবস্থার জন্য একমাত্র দায়ী রাজ্য সরকার ও সেচ দপ্তরের কর্তারা।