ওভারের সপ্তম বলে আউট মাইকেল ক্লিঙ্গার

Michael Klinger out of the seventh over
ওভারের সপ্তম বলে আউট মাইকেল ক্লিঙ্গার

আজবাংলা   সিডনি সিক্সার্স ও পার্থ স্কর্চার্সের মধ্যকার দিনের শেষ ম্যাচে ঘটেছে এক হাস্যকর কাণ্ড। ১৭৭ রান তাড়া করতে নেমেছিল স্কর্চার্স। বেন ডোয়ার্শুইসের দ্বিতীয় ওভারে বল গুনতে ভুল করেছিলেন দুই আম্পায়ার জিওফ জশুয়া ও সাইমন ফ্রাই। ফলে ওভারটি শেষ হলো ৭ বলে। সপ্তম বলটা একটা শর্ট বল করেছিলেন ডোয়ার্শুইস। কাট করে বাউন্ডারিতে ধরা পড়েছেন ব্যাটসম্যান মাইকেল ক্লিঙ্গার। ডাইভিং ক্যাচ বলে আউট নিশ্চিত করতে তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে যান মাঠের দুই আম্পায়ার। তখনই ধরা পড়ে আম্পায়ারদের ওই ভুল। স্কর্চার্সের ভাগ্য ভালো, এ সিদ্ধান্তে ম্যাচের ফলে প্রভাব পড়েনি। ১০ রানে ক্লিঙ্গারের বিদায়ের ধাক্কা ঠিকই সামলে নিয়েছে তারা। ৬১ বলে ৮৭ রান করেছে ব্যানক্রফট। অধিনায়ক অ্যাশটন টার্নার ৩০ বলে নিয়েছেন ৬০ রান। তাতেই ৭ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের জয় পেয়েছে স্কর্চার্স।মজার বিষয় ভুল ধরা পড়লেও সিদ্ধান্ত বদলানো যায়নি। ক্রিকেটের ১৭.৫.২ ধারা অনুযায়ী ‘আম্পায়ার যদি বল গণনায় ভুল করেন, তবে আম্পায়াররা যেটা ধরেছেন, সে অনুযায়ী ওভার হবে।’ পরে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াও নিশ্চিত করেছে সিদ্ধান্ত না বদলানোর কারণটি, ‘দেখা গেছে ওভারের বল হিসাবে ভুল হয়েছিল এবং আম্পায়াররা সাত বল করিয়েছেন। বলটা যখন করা হয়েছে তখন সবকিছু নিয়ম ও ক্রমানুযায়ী হচ্ছে বলেই মনে হয়েছে, তাই এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। এ ঘটনা ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার পরবর্তী সাধারণ সভায় প্রতিবেদনে তোলা হবে এবং এ নিয়ে মন্তব্য তখন জানিয়ে দেওয়া হবে।’ তবে স্কর্চার্সের কোচ অ্যাডাম ভোজেস পরে একহাত নেন আম্পায়ারদের। তিনি সাফ বলেন, “আমরা জানতাম এটা সপ্তম বল। কিন্তু দুর্ভাগ্যের হল, আম্পায়াররা তা জানতেন না। ব্যাটিং দল হিসেবে ওভারে সাতটা বল হলে অবশ্যই আপত্তির কিছু থাকে না। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে আমাদের তার মাসুল দিতে হয়েছে। এটা একেবারেই আদর্শ পরিস্থিতি নয়। আর আম্পায়ারের কাজই হল প্রত্যেক ওভারের বল গোনা।”