বাংলাদেশে দুর্বৃত্ত মুসলিমদের মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ভয়ে রাত জাগছে সংখ্যালঘু হিন্দুরা

প্রতিমা ভাঙচুর
প্রতিমা ভাঙচুর

আজবাংলা বাংলাদেশে মুসলিম দুর্বৃত্তদের মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ভয়ে রাত জাগছে সংখ্যালঘু হিন্দুরা । মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া নজির বাংলাদেশের তেমন নেই। তাই পুজো আয়োজকরা নিজেরাই উদ্যোগ দিয়ে প্রতিমা পাহারা দিচ্ছেন। প্রতি বছরই বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় দুর্গাপ্রতিমা ভাঙার ঘটনার কথা শোনা যায়। কিন্তু সেই ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির কথা তেমন প্রচারিত হয় না। তাই প্রতিমা ভাঙচুরের আশঙ্কায় ভোগেন পুজো উদ্যোক্তারা।প্রতি বছর দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ উঠে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের বগুড়া, বরিশাল, হবিগঞ্জ, ফরিদপুরসহ সারাদেশেই মন্দিরে হামলা ও রাতের আধাঁরে মূর্তি ভাঙার তাণ্ডব চলে । এতে করে সারাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।বাংলাদেশের গাজীপুর শহর থেকে প্রায় ২১ কিলোমিটার দূরে ভাওয়ালগড় ইউনিয়নে মনিপুরী উত্তরপাড়া গ্রামের একটি মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। সপ্তাহ তিনেক আগে সেখানে প্রতিমা ভাঙচুর হয় বলে অভিযোগ উঠেছিল। হামলার পর এলাকার বাসিন্দারা আশঙ্কায় রয়েছেন। নতুন করে মূর্তি গড়ার কাজ শুরু করা হয়েছিল। সেই গ্রামের মন্দিরে দুর্গা পুজো হয় প্রায় এক দশক ধরে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এই প্রথমবার তাদের মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশে এখন অবদী ১১টি জেলায় ১৩টি মন্দিরে দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। যার জেরে একাধিক জায়গায় পালা করে প্রতিমা পাহারা দেওয়া শুরু হয়েছে। দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদ হল রুমে এ মতবিনিময় সভায় তিনি দু’উপজেলার প্রায় ৫৬টি পূজা মণ্ডপে নির্বিঘ্নে শারদীয় দুর্গোৎসব পালনের লক্ষে সকল প্রকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে প্রসাশনের প্রতি আহ্বান জানান। স্থানীয় পুলিসের দাবি, মন্দিরের জমি নিয়ে বিবাদের জেরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটতে পারে।  

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!