মোদী সরকারের কূটনীতি জয়, পাক সন্ত্রাস ইস্যুতে ভারতের পাসে চিন

আজবাংলা    নিজেদের অবস্থান থেকে কার্যত ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে নয়াদিল্লির পাশে দাঁড়াল বেজিং। আমেরিকা ও ইউরোপিয়ান দেশগুলি সন্ত্রাস দমনে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পাকিস্তানকে যে বার্তা দিতে চলেছে, সেই তালিকায় এ বার যোগ দিচ্ছে চিনও। দলে যোগদান সৌদি আরবও।পাশাপাশি চিনের এই অবস্থান বদল ভারতের কূটনৈতিক জয় হিসেবেই দেখছেন কূটনৈতিকরা। তবে শেষ মুহূর্তে তালিকা থেকে সরে গিয়েছে একমাত্র তুরস্ক। বাকি সব দেশ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এককাট্টা। জুন মাসে ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের প্লেনারি সেশনের আগে দুই দেশ এবং বিশেষ করে চিনের এই অবস্থান বদল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। জঙ্গিদের অর্থ সরবরাহ ও কার্যকলাপের উপর নজরদারি এবং ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে এফএটিএফ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সংস্থা। সন্ত্রাসে মদত দেওয়া, অর্থ জোগানোর অভিযোগে ২০১৮ সাল থেকে পাকিস্তানকে ধূসর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে এই এফএটিএফ। সন্ত্রাস দমনে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বহুবার পাকিস্তানকে বার্তা দিয়েছে এই সংস্থা। কিন্তু কার্যত কোনও কাজ হয়নি। সূত্রের খবর, চিন ও সৌদি আরবের এই অবস্থান বদলের জেরে এ বার এটা কার্যত নিশ্চিত যে, জুনের আগে উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিলে পাকিস্তানকে ধূসর তালিকাতেই রাখা হবে। খুব শীঘ্রই ফের এ নিয়ে সরকারি ভাবে ঘোষণা হতে পারে। চিনে নোভেল করোনা ভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণের পর ভারতীয়দের উদ্ধার করে দেশে ফেরানোয় যথাসাধ্য সহযোগিতা করেছিল শি চিনফিংয়ের প্রশাসন। তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে এবং বেজিংকে সব রকম সাহায্য ও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চিনের প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। সেই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে নয়াদিল্লির বিস্তর প্রশংসা করেছিল শি চিনফিং সরকার। তখন থেকেই চিনা ড্রাগনদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতির ইঙ্গিত মিলেছিল। তার পর সরাসরি পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রায় গোটা বিশ্বের সঙ্গে একজোট হল চিনও।