আদিবাসীদের পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করলেন মুকুল।

মুকুল রায়
মুকুল রায়

আজবাংলা  বিজেপির  সংখ্যালঘু সেলের এক অনুষ্ঠানে আজ সকালে মালদায় আসেন মুকুল রায় ।প্রথমে মালদা কলেজ অডিটোরিয়াম ও দুপুরে গাজোলে এক দলীয় কর্মসূচীতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। পরে রাতেই কলকাতা ফিরে যাওয়ার কথা। কলকাতার বিদায়ী মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ইস্তফা এবং তাঁর জায়গায় পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে দায়িত্ব দেওয়া প্রসঙ্গে সাংবাদিক বিজেপি নেতা মুকুল রায় বলেন যারা সিঙ্গুর দেখেনি, যারা নন্দীগ্রাম দেখেনি, যারা নেতাই দেখেনি, যারা ৩৫ বছরে ৫৫ হাজার কর্মীর মৃত্যু দেখেনি। তাদের হাতেই আজ তৃণমূল কংগ্রেস। এটা প্রমাণিত, যাদের অবদানের উপর ভিত্তি করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজকের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয়েছেন, তারা ধীরে ধীরে সবাই ব্রাত্য হয়ে পড়েছে। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে মালদায় দলের সাফল্য নিয়ে অসম্ভব আশাবাদী মুকুল। তিনি বলেন, এই জেলায় ধর্মকে সরিয়ে রেখে মানুষ যেভাবে দলে দলে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন, তাতে লোকসভা নির্বাচনে ভালো ফল হবেই। শুধু মালদা নয়, রায়গঞ্জ, বালুরঘাট,আলিপুরদুয়ার,কোচবিহার সহ সমস্ত জায়গায় মানুষের মধ্যে বার্তা পৌঁছে গেছে যে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ভালো ফল করবে। কারণে, এই রাজ্যে এখন কোনও গণতন্ত্র নেই৷ গণতন্ত্রকে হত্যা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।” সেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতেই বিজেপির পক্ষ থেকে রাজ্যে একটি যাত্রা বের করা হচ্ছে। এরাজ্যে আদিবাসীদের পরিস্থিতি নিয়েও রাজ্য সরকারকে কার্যত তুলোধনা করলেন মুকুল। তিনি বলেন, “এই রাজ্যে পাহাড়ও হাসছে না, জঙ্গলমহলও হাসছে না। বিশেষত তপশিলি উপজাতির মানুষ এই রাজ্যে না খেয়ে মারা যাচ্ছে। এই মালদা জেলায় জেলা পরিষদের সভানেত্রী ছিলেন তপশিলি উপজাতি পরিবারের এক মহিলা। নিজের আমলে তিনি যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে জেলা পরিষদের কাজকর্ম সামলেছেন। কিন্তু, শুধু তপশিলি পরিবারের মেয়ে বলে এখন তাঁকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর থেকেই পরিষ্কার হয়ে যায়, তপশিলি উপজাতিভুক্ত মানুষকে তৃণমূল ঠিক কীভাবে দেখে ।