বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় যৌনাঙ্গে লাঠি ঢুকিয়ে খুন স্বামীর

murders for protesting outside of marriage
খুন করা হল এক মহিলাকে

আজ বাংলা পরিবারের অভিযোগ, যৌনাঙ্গে লাঠি ঢুকিয়ে অত্যাচার করা হয়, তারপর শ্বাসরোধ করে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় মহিলাকে। ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মালদার পুখুরিয়া থানার আড়াইভাঙা এলাকার ছড়কামারি গ্রামের বাসিন্দা গেদু শেখ। পেশায় লরিচালক। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিবি মিনু (৩৫)-র সঙ্গে প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত। বছর দুয়েক ধরে এলাকার এক বিধবা মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল গেদুর। তাই নিয়ে দু’জনের বিবাদ লাগত। বিবাদ মেটানোর জন্য গ্রামে অনেকবার সালিশিসভা হয়। তাতে কোনও লাভ হয়নি। বরং বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় বিবিকে প্রায়ই মারধর করত গেদু। আজ সকালে প্রতিবেশীরা ঘরের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় মিনুর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তখন গেদুও বাড়িতে ছিল। প্রতিবেশীরা মিনুর বাবারবাড়িতে খবর দেন। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে। মিনুর এক আত্মীয় বলেন,, বছর দুয়েক ধরে শাহনুর নামে স্থানীয় এক মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে গেদুর। তাদের সম্পর্ক চলাকালীনই মৃত্যু হয় শাহনুরের শওহরের। বছর দেড়েক আগে গ্রামের পাশের একটি বাগানে পাওয়া গেছিল শাহনুরের শওহরের ক্ষতবিক্ষত দেহ। এরপর থেকেই শাহনুর ও গেদুর সম্পর্ক আরও গভীর হয়। প্রতিবাদ করায় মিনুর উপর অত্যাচার বাড়তে থাকে।  “আজ সকালে খবর পাই মিনু নাকি গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এসে দেখি মেঝেতে পড়ে রয়েছে মিনুর দেহ। ঘর রক্তে ভেসে যাচ্ছে। গেদু ঘরেই ছিল। সে বলে ও-ই নাকি ফাঁস কেটে দেহ নিচে নামিয়েছে। মিনুর সারা শরীরে কালসিটের দাগ ছিল, গলায় কালসিটে ছিল। যৌনাঙ্গ থেকে তখনও রক্ত ঝরছিল। বুঝতে পারি লাঠি বা বাঁশ জাতীয় কিছু ঢুকিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। তারপর দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।” মিনুর পরিবারের তরফে গেদু ও শাহনুরের বিরুদ্ধে পুখুরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গেদুকে গ্রেপ্তার করা হলেও শাহনুর পলাতক। পুখুরিয়া থানার পুলিশ জানিয়েছে, শাহনুরের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।