রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেয়ে ঘরে ফিরল নদিয়ার ছেলে ভবতোষ

আজবাংলা  করিমপুর    গত বছরের ২৪ অক্টোবর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার গ্রহণ করেছেন নদিয়ার করিমপুর থানার গড়াইমারি গ্রামের ভারত-তিব্বত সীমা পুলিশ(ITBP)-র ডিআইজি ভবতোষ সিংহ।গত ৩১ ডিসেম্বর চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন ভবতোষ সিংহ। এরপর রবিবার গড়াইমারির বাড়িতে আসেন। আরো পড়ুন     পালিয়ে এলেন করোনা সন্দেহে জয়পুরের হাসপাতালে ভরতি হওয়া নদিয়ার যুবক তিনি ফিরতেই বাঁধভাঙা আনন্দে মেতে ওঠেন গ্রামবাসীরা।গ্রামের মহিলারা তাঁর পা ধুইয়ে বরণ করার পর কাঁসরঘণ্টা বাজিয়ে সারা গ্রামে শোভাযাত্রা করলেন গ্রামবাসীরা। তারপর গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অস্থায়ী মঞ্চ বানিয়ে তাঁরা সংবর্ধনা দিলেন ভারত-তিব্বত সীমা পুলিশ(ITBP)-র ডিআইজি ভবতোষ সিংহকে। তাঁর বৃদ্ধা মা কুসুমবালা সিংহ গ্রামের মানুষের এই আবেগ দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। আরো পড়ুন      রং খেলার পর পুকুর স্নান করতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত নদিয়ার ৪ পড়ুয়া শুধু একটি কথাই বলেছেন, ‘গ্রামের সকলে ভাল থাকুক।’ গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তিরা বলেন, ‘ভবতোষবাবুর যথেষ্ট অবদান রয়েছে গ্রামবাসীদের জীবনে।ওনার প্রচেষ্টায় এই এলাকার অনেক ছেলেমেয়ে চাকরি পেয়েছেন। সেই দিক দিয়ে দেখতে গেলে ভবতোষ   গ্রামের । তাই তিনি রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাওয়ায় আনন্দিত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের খুব কাছে অবস্থিত গড়াইমারি গ্রামের গ্রামবাসীরা।এপ্রসঙ্গে ভবতোষবাবু বলেন, ‘আমি মানুষের জন্য কী করতে পেরেছি জানি না। যা করছি শুধু নিজের কর্তব্য পালন করেছি। অবসর গ্রহণের পর এই প্রথম বাড়িতে এসেছি। বাড়িতে রয়েছেন বৃদ্ধা মা, দাদা ও বৌদি। বাবা গত হয়েছেন বেশ কয়েক বছর আগে। রাষ্ট্রপতি পুরস্কার আমার প্রয়াত পিতা স্বর্গীয় রমেশচন্দ্র সরকার ও গ্রামবাসীদের উৎসর্গ করলাম। যা কিছু হয়েছে বাবা ও মায়ের প্রচেষ্টা ও গ্রামবাসীদের ভালবাসায় হয়েছে। ওনাদের সক্রিয় প্রচেষ্টা এবং গ্রামবাসীদের ভালবাসা আর আশীর্বাদে আজ প্রশাসনের শীর্ষ স্থানে পৌঁছতে পেরেছিলাম। পরবর্তী সময়েও এলাকার শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালাব।   ’