উত্তপ্ত নদিয়ার করিমপুর , অবরোধ-আগুন-গুলি। এক বিজেপি কর্মী জখম

Nadia Karimpur, block-fire
, অবরোধ-আগুন-গুলি।

আজবাংলা নদিয়া করিমপুর ২ ব্লকের স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, নন্দনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৪টি আসনের মধ্যে ১৫টি আসনের গণনা শেষ হয়ে গিয়েছিল। ১১টিতেই জয়ী হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থীরা। পঞ্চায়েত হাতছাড়া হবে বুঝেই তৃণমূল গণনাকেন্দ্রে হামলা চালায় বলে বিজেপির দাবি। বিজেপির ছয় প্রার্থীর জয়ের শংসাপত্র ছিঁড়ে দেওয়া হয়। মারধর করে প্রার্থীদের এবং কাউন্টিং এজেন্টদের বার করে দেওয়া হয়। গণনাকেন্দ্রের বাইরে বিজেপির ক্যাম্পেও চালানো হয় তাণ্ডব। স্থানীয় সূত্রের খবর, হামলার মুখে পড়ে গণনাকেন্দ্র ছেড়ে পালিয়ে যান বিজেপির নেতা-কর্মীরা। বিজেপি প্রার্থী এবং এজেন্টদের বার করে দিয়েই ফের শুরু হয়ে যায় নন্দনপুর পঞ্চায়েতের গণনা। ২৪টি আসনের মধ্যে ১৭টিতেই তৃণমূল প্রার্থীরা জয়ী ঘোষিত হন।

এই ধরনের আরো খবর জানতে আমাদের ফেসবুক পাতায় লাইক করুন facebook

 

তার পরে অবরোধ শুরু করেন কানাইখালি এলাকায়, যেখানে বিজেপির শক্তি বেশি। ২০১৩ সালের নির্বাচনে নন্দনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৪টি আসনের মধ্যে ১২টি পেয়েছিল তৃণমূল। বাকি ১২টি পেয়েছিল বামেরা। টস জিতে পঞ্চায়েতের দখল নেয় তৃণমূল। এ বার বামেদের বদলে বিজেপি হয়ে উঠেছিল প্রধান প্রতিপক্ষ। বিজেপির দাবি, আগের বারের মতো টাই নয়, পঞ্চায়েত এ বার তৃণমূলের হাতছাড়া হতে চলেছিল। তাতে আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। অবরোধ তোলার জন্য পুলিশ কানাইখালিতে পৌঁছতেই উত্তেজনা চরমে ওঠে। বাসে এবং একটি বাইকে বিক্ষোভকারীরা আগুন ধরিয়ে দেন। অবরোধ হঠাতে এর পরে পুলিশ গুলি চালায় বলে বিজেপির দাবি। তাতে এক বিজেপি কর্মী জখম হন বলেও অভিযোগ। পুলিশ অবশ্য গুলিচালনার অভিযোগ সম্পূর্ণ নস্যাৎ করেছে।