নদিয়ার দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া গুলিতে নিহত সিপিএম থেকে তৃণমূলে যাওয়া আবদুল জলিল শেখ।

দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া গুলি
দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া গুলি

আজবাংলা নদিয়ার দেবগ্রামের রাজারামপুর ঘোড়াইক্ষেত্রের সীতাচন্দ্রপুর এলাকার বাসিন্দা আবদুল জলিল শেখ। প্রতিদিনই দেবগ্রামের একটি চায়ের দোকানে আড্ডা দিতেন আবদুল জলিল শেখ । রাতে চা খেয়ে মোটরবাইকে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ি থেকে চার কিলোমিটার দূরত্বে জলিলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। দুষ্কৃতীরা সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে ঘিরে ধরে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে এলোপাথাড়ি ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় ওই যুব তৃণমূল নেতাকে। গুলি এবং চিত্‍কারের শব্দ পান স্থানীয় বাসিন্দারা। তড়িঘড়ি বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন তাঁরা। দেখেন রাস্তার মাঝেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন জলিল। তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে ততক্ষণে সব শেষ। মারা গিয়েছেন জলিল।অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারির দাবিতে সরব স্থানীয় বাসিন্দারা। এই দাবিতে শুক্রবার রাতেই দেবগ্রামে পথ অবরোধ করেন তাঁরা। যদিও ঘণ্টাখানেক পর পুলিশি আশ্বাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। খুব শীঘ্রই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে বলেই জানান কালীগঞ্জ থানার পুলিশ। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে নিহত জলিলের স্ত্রী আকিরা বিবি, রাজারামপুর ঘোড়াইক্ষেত্র সিপিএমের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়ে জয়ের পর দলবদল করেন নিহত জলিলের স্ত্রী আকিরা বিবি। জলিলের স্ত্রীর অভিযোগ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই কেউ তাঁর স্বামীকে খুন করিয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের যোগসাজশ রয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর। নাকাশিপাড়ার বিধায়ক কল্লোল খাঁ-র গলাতেও একই অভিযোগের সুর। তিনি বলেন,”জলিল একজন দক্ষ সংগঠক। যে বা যারা জড়িত তাদের অবিলম্বে কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত।