কেজরীবালের শপথে বাদ পড়লেন মমতা আমন্ত্রণ পেলেন নরেন্দ্র মোদী

আজবাংলা     রবিবার ১৬ ফেব্রুয়ারি তৃতীয়বারের জন্য দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন অরবিন্দ কেজরীবাল। সেই শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আনুষ্ঠানিক ভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে আজ শুক্রবার দলের তরফে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে অন্য কোনও রাজ্যের নেতাকেই যে আমন্ত্রণ পাঠানো হচ্ছে না, তাও জানানো হয়েছে আপের তরফে। অরবিন্দ কেজরীবালের এই জয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে ছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেস সাংসদ পি চিদম্বরম, কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন।

একই মতাদর্শে বিশ্বাসী না হলেও শুভেচ্ছা জানাতে ভুললেন না মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী তথা শিবসেনা সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরে। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে হেমন্ত সোরেনের শপথে বিরোধী ঐক্যের চেহারা ফুটে উঠেছিল। খোদ তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেজরিওয়ালকে ফোন করে জয়ের শুভেচ্ছা জানান।দিল্লির ভোটে অরবিন্দ কেজরীবালের বিপুল জয়ের পর রাজনৈতিক মহলের ইঙ্গিত ছিল, আরও বড় শক্তিপ্রদর্শনের মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে কেজরীবালের শপথের অনুষ্ঠান। কিন্তু তা হচ্ছে না। অন্য কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বা কোনও বিরোধী নেতাকেই আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে না বলে জানাল আম আদমি পার্টি (আপ)। অন্য দিকে, আজই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন অরবিন্দ কেজরীবাল।

দিল্লি বিধানসভা ভোটে ৭০টির মধ্যে ৬২ আসন পেয়ে আরও একবার মুখ্য়মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন অরবিন্দ কেজরীবাল। ভোটের ফলপ্রকাশের পর কেজরীবালকে অভিনন্দন জানান নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী টুইট করেন,”আপ ও অরবিন্দ কেজরীবালকে জয়ের অভিনন্দন। আশা করি আপনারা দিল্লিবাসীর স্বপ্নপূরণ করতে পারবেন।” প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছাবার্তা পেয়ে কেজরীবাল টুইট করেছেন,”ধন্যবাদ স্যর। রাজধানীকে আন্তর্জাতিক শহর করতে কেন্দ্রের সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে রয়েছি।”  আপের আহ্বায়ক গোপাল রাই সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেছেন, ‘‘কোনও মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য কোনও রাজ্যের রাজনৈতিক নেতাকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে না। পুরো অনুষ্ঠানই দিল্লিকেন্দ্রিক হবে।’’ গতকাল বৃহস্পতিবার প্রায় একই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আপের ‘নাম্বার টু’ মনীশ সিসৌদিয়া। তিনিও বলেছিলেন, ‘‘দিল্লির সবাইকে’ আমন্ত্রণ জানানো হবে।”

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!