পৃথিবী থেকে দূরে নতুন এক বাসযোগ্য গ্রহের সন্ধান পেল নাসা।

আজবাংলা  নিউইয়র্ক    এখন পর্যন্ত মানুষের বাসযোগ্য গ্রহ একটিই—পৃথিবী। এ কারণে বিকল্প বাসযোগ্য গ্রহ খুঁজে পেতে বিজ্ঞানীদের চেষ্টার অন্ত নেই। যুগ যুগ ধরে চলছে এই প্রচেষ্টা। কখনো কখনো সম্ভাব্য বাসযোগ্য গ্রহের সন্ধান পাওয়ার দাবি করে বিজ্ঞানীরা আলোড়ন সৃষ্টি করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই অঙ্গরাজ্যের হনুলুলুতে আমেরিকান অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির বার্ষিক বৈঠকে নাসার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরি নতুন গ্রহটির আবিষ্কারের কথা ঘোষণা করা হয়। গ্রহের নাম দেওয়া হয়েছে ‘টিওআই৭০০ডি’। এটি ‘টিওআই৭০০’ নামের একটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে। নাসার দাবি, নতুন ওই গ্রহ পৃথিবী থেকে ‘মাত্র’ ১০০ আলোকবর্ষ দূরে সূর্যের মাপের মাত্র ৪০ শতাংশ এর আয়তন।টিওআই৭০০ডি গ্রহটি পৃথিবীর চেয়ে ২০ শতাংশ বড় এবং ৩৭ দিনে টিওআই৭০০ নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে।এ ছাড়া পৃথিবী সূর্য থেকে যে শক্তি পায়, তার ৮৬ শতাংশ শক্তি ওই গ্রহ তার নক্ষত্র থেকে পায়।  তার তাপমাত্রা তার অর্ধেক। বিজ্ঞানীরা জানান, টিওআই৭০০ নামের ওই নক্ষত্র ও তাকে প্রদক্ষিণরত তিনটি গ্রহ আবিষ্কার করেছে টেস। এর মধ্যে টিওআই৭০০ডি নক্ষত্রটিকে এমন দূরত্ব থেকে প্রদক্ষিণ করছে, যা ওই সৌরমণ্ডলের বাসযোগ্য অঞ্চল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সূর্যের সঙ্গে পৃথিবীর দূরত্বের বিবেচনায় এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন বিজ্ঞানীরা। এই দূরত্বে তরল জলের অস্তিত্ব থাকা সম্ভব বলে দাবি করেছে নাসা। গ্রহটির বাসযোগ্য অঞ্চলে তরল জল থাকার সম্ভাবনার জন্য ঠিক দূরত্বেই রয়েছে সেটি। নাসার বিশেষভাবে তৈরি টেলিস্কোপে মাপজোক করে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সহমত হয়েছেন। গ্রহটির আূহাওয়া মাপার কাজও করেছেন তাঁরা। দেখেছেন, নতুন গ্রহটি পৃথিবীর দিনের হিসেবে প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় ৩৭ বছর। আর তার একপিঠে সবসময়ই দিনের আলো।