বিয়ের পর পুত্রবধূর স্বীকৃতির দাবিতে শ্বশুরবাড়ির সামনে ধরনা নাসরিন খাতুনের

আজবাংলা কুমারগঞ্জ দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের দিওর এলাকায় শ্বশুরবাড়ি সামনের পুত্রবধূর স্বীকৃতির দাবিতে শেষপর্যন্ত ধরনার বসেছেন নাসরিন খাতুন নামের নববধূ । ঘটনায় শোরগোল পড়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের দিওর এলাকায়। এদিকে এই ঘটনার পর থেকে বেপাত্তা ওই যুবতীর স্বামী।স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বাবার ব্যবসা দেখাশোনা করেন রাজ্জাক সরকারের ছেলে সোহেল। পাশেই পাঁচপুকুর এলাকা। সেখানকার বাসিন্দা যুবতী নাসরিন খাতুনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তাঁর। কিন্তু নাসরিনের সঙ্গে ছেলের বিয়ে দিতে রাজি ছিলেন না সোহেলের পরিবারের লোকেরা। নাসরিন খাতুনের দাবি, বছর দেড়েক আগে বাড়ির অমতে পালিয়ে গিয়ে তাঁকে বিয়ে করেছে সোহেল। বিয়ের পর বাপের বাড়িতেই ওঠেন তিনি। বারবার বলা সত্ত্বেও সোহেল স্ত্রীকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যাননি। শেষপর্যন্ত নাসরিন যখন শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন, তখন সোহেল গা-ঢাকা দেন বলে অভিযোগ।এদিকে গত কয়েক দিন ধরেই স্বামীর খোঁজ না পেয়ে শুক্রবার সকালে কুমারগঞ্জের দিওর এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে চলে আসেন নাসরিন। পুত্রবধূর স্বীকৃতি দাবিতে শ্বশুরবাড়ি সামনের ধরনার বসেছেন তিনি। এদিকে পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে পালিয়ে যান ওই যুবতীর শ্বশুর রাজ্জাক সরকার ও তাঁর স্ত্রী। শেষপর্যন্ত দু'জনকেই খুঁজে বের করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। থানায় আলোচনায়ও বসেন দুই বাড়ির লোকেরা। কিন্তু সমাধান সূত্রে মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। এদিকে পুত্রবধূর স্বীকৃতি না পাওয়া পর্যন্ত ধরনা চালিয়ে যাবেন বলে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নাসরিন খাতুন।