মালদার ব্যবসায়ীদের অভিযোগে নেতাজি পৌরবাজার পরিদর্শনে নিহার রঞ্জন ঘোষ

দেবু সিংহ আজবাংলা মালদা আবারো ব্যবসায়ীদের অভিযোগ পেয়ে বেহাল নেতাজি পৌরবাজার পরিদর্শন করলেন মালদা ইংরেজবাজার পৌরসভার পুরোপিতা নিহার রঞ্জন ঘোষ। সঙ্গে ছিলেন, নেতাজি পৌর বাজারের সম্পাদক মানিক জয়সোয়াল, মালদা জেলা ব্যবসায়ী নেতা উজ্জল সাহা সহ সভাপতি অসিত কুমার সাহা, সহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা।এদিন নেতাজি পৌরবাজারে গিয়ে দেখা গেল চাল পট্টি যে বিল্ডিং রয়েছে সেখানে ছাদ গুলি ভেঙে পড়েছে। ছাদের রড প্লাস্টার ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে। বারান্দার সিমেন্টের চাদর গুলো ভেঙে পড়েছে। সব মিলিয়ে জরাজীর্ণ অবস্থায় ওই বিল্ডিং এর অবস্থা। যে কোন সময় ধসে পড়তে পারে ওই বিল্ডিংটি। অন্যদিকে মাছ বাজারের বিল্ডিংয়েরও জরাজীর্ণ অবস্থায়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্যবসা করছেন সেখানকার ব্যবসায়ীরা। এই দিন পরিদর্শনের পর সমস্ত বিল্ডিং সংস্কার করার আশ্বাস দেন ইংরেজবাজার পৌরসভার পৌর পিতা। নেতাজি পৌরবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক মানিক জয়সোয়াল জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে তাদের বাজারের চাল পট্টি সহ অন্যান্য বিল্ডিংয়ের অবস্থা খুব খারাপ। যে কোন সময় ধসে পড়তে পারে বিল্ডিং গুলি। বারবার প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো ফল হয়নি। ইংরেজবাজার পৌরসভার পুরো পিতাকে দীর্ঘদিন ধরে এই দাবি জানানো হয়েছিল। একদিন সরেজমিনে তিনি বাজার পরিদর্শন করেন। তার হাতে ব্যবসায়ীদের একটি দাবি পত্র তুলে দেওয়া হয়। তিনি তাদের আশ্বাস দিয়েছেন আগামী কয়েকদিনের মধ্যে কাজ শুরু করবেন।
জেলা ব্যবসায়ী নেতা উজ্জল সাহা বলেন, বাজারের অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল হয়ে রয়েছে। ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে মালদা ইংরেজবাজার পৌরসভার কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়। এই দিন সরজমিনে তিনি সমস্ত বাজার এবং জরাজীর্ণ বিল্ডিংগুলি ঘুরে দেখেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন খুব অল্প দিনের মধ্যে একটি প্রজেক্ট করে এর কাজ শুরু করবেন। ইংরেজবাজার পৌরসভার পুরো পিতা নিহার রঞ্জন ঘোষ জানিয়েছেন, গত ২০০৪ সালে এই বাজার সংস্কারের জন্য একটি প্রজেক্ট তৈরি করা হয়েছিল। যাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তারা এখন পর্যন্ত বাস্তবায়িত করেননি। বাজারের বসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে বাজার সংস্কারের দাবি জানিয়েছিলেন তার কাছে। এই দিন বাজার ঘুরে দেখে তিনি আস্বাস দেন, খুব অল্প দিনের মধ্যে বাজার সংস্কারের কাজ শুরু হবে। তিনি বলেন, চাল পট্টি, মাছ বাজার সহ সমস্ত জায়গাতেই বিল্ডিং এর অবস্থা বেহাল হয়ে রয়েছে। অল্প দিনের মধ্যে সেই বাজারে কাজ শুরু হবে। পুরো পিতার আস্বাসে আপাতত স্বস্তি নিঃশ্বাস ফেলেছেন জেলার ব্যবসায়ীরা এবং অতিসত্বর সংস্কারের কাজ শুরু হবে বলে আশায় বুক বেঁধেছেন ব্যবসায়ীরা।