নীতীশকুমারের জনতা দল ইউনাইটেডে যোগ দিলেন প্রশান্ত কিশোর ।

Nityishakumar's Janata Dal joined the United States
নীতীশকুমারের জনতা দল ইউনাইটেডে যোগ দিলেন প্রশান্ত কিশোর

আজবাংলা পেশায় ছিলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, কাজ করতেন রাষ্ট্রপুঞ্জে। সেখান থেকে হয়ে উঠেছিলেন মোদী শিবিরের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রচার বিশেষজ্ঞ। ২০১২ সালে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেই পেশাদার প্রচার বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ শুরু। মোদীকে তৃতীয় বারের জন্য গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করার পেছনে তাঁর ভূমিকা এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, ২০১৪ সালে মোদীর হয়ে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার কৌশল ঠিক করার দায়িত্বও তাঁর কাঁধেই দিয়েছিল গেরুয়া শিবির। রবিবার পটনায় জেডিইউ সুপ্রিমো নীতীশকুমারের উপস্থিতিতে শুরু হল প্রশান্ত কিশোরের নয়া ইনিংস। প্রচারকৌশলী হিসেবে সাফল্যের শীর্ষে ওঠার পর এবার সরাসরি রাজনীতিতে নামলেন প্রশান্ত কিশোর। ভারতের রাজনীতিতে প্রশান্ত কিশোরের উপস্থিতি এক কথায় বৈপ্লবিক। একা হাতে তিনি বদলে দিয়েছিলেন দেশের নির্বাচনী প্রচারকৌশলের খোলনলচে। সরাসরি সামনে না এলেও পেছন থেকে কলকাঠি নেড়ে জনমানসে প্রভাব ফেলতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। নির্বাচনী প্রচারে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার, নানা উদ্ভাবনী কৌশলের জেরে হয়ে উঠেছিলেন গুজরাতের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ডান হাত। এই ধরনের আরো খবর জানতে আমাদের ফেসবুক পাতায় লাইক করুন

 

 

তাঁর কৌশলের জেরেই প্রতিপক্ষ কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রচারে দশ গোল দিয়ে বেরিয়ে যেতো বিজেপি শিবির, এই কথা এখনও শোনা যায় রাজনীতির অন্দর মহলে।  আইআইটি, আইআইএমের মতো দেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ম্যাকিনসে, জেপিমর্গ্যান চেজ, গোল্ডম্যান স্যাকসের মত শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক সংস্থাগুলি থেকে মেধাবী ও শীর্ষপদাধিকারী ব্যক্তিদের এক ছাতার তলায় এনে পেশাদার হিসেবে পরামর্শ দেওয়ার কাজ শুরু করেছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বছর একচল্লিশের প্রশান্ত গত সপ্তাহেই আভাস দিয়েছিলেন, রাজনীতিতে আসছেন তিনি। হায়দরাবাদের ইন্ডিয়ান স্কুল অব বিজনেসের একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “নিজের জন্য প্রচার শেষ, এখন রাজনীতির জন্য আমি প্রস্তুত।” কিন্তু কোন দলে? নীতীশের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা থাকায় স্বভাবতই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ছিল জেডিইউ-তে যোগ দিতে পারেন প্রশান্ত। তবে, কংগ্রেস কিংবা বিজেপিও তাঁকে দলে টানতে নানা উপহারের প্রস্তাব রাখে বলে জানা যায়।