শিলিগুড়ির বেসরকারি নার্সিংহোমে রোগী মৃত্যু ঘিরে ব্যপক উত্তেজনা

Patients' death in private nursing homes
বেসরকারি নার্সিংহোমে রোগী মৃত্যু

বিশ্বজিৎ সরকার,আজবাংলা দার্জিলিংঃ শনিবার শিলিগুড়ির ৪০ নম্বর ওয়ার্ড এর আশিঘরের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে রোগীর মৃত্যু ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল। মৃতের পরিবারের সঙ্গে পুলিশের শুরু হয় ধস্তাধস্তি। এলাকায় নামানো হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। মৃত রোগীর নাম ভরত মহন্ত। তিনি বালুরঘাটের বাসিন্দা।

দিন দশেক আগে কিডনিতে পাথর নিয়ে ভালো চিকিৎসার জন্য ভর্তি হন শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি নাসিং হোমে,সেখানেই তার অস্ত্রপ্রচার হয়। এদিন তাকে ছুটি দেবার কথা। গতকাল রাতেও ভালো ছিলেন বলে দাবি রোগীর আত্মীয় দের । তাদের বক্তব্য,নসিংহোম থেকে গতকাল রাতে বলা হয়, তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবার জন্য গতকাল রাতে অন্টিবায়টিক চার্জ করা হয়। তারপর থেকেই অবস্থা খারাপ হতে থাকে ভরত মহন্তের। ছটফট করতে থাকেন তিনি । আস্তে আস্তে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। আর অপর দিকে রোগী ভালো আছে বলে বাড়ির লোক কে পাঠিয়ে দেন রাতেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বাড়ির লোক অবশ্য জানিয়ে যান যে অবস্থা বেগতিক হলে তাদের কে জানতে,কিন্তু তা আর করেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ । এদিন সকালে বাড়ির লোক এসে বাইরে অপেক্ষা করলেও দেখতে দাওয়া হয় না রোগী কে। নান রকম অজুহাতে আটকে দেয় নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষ, বাইরে থেকে ডাক্তার এসেছে , চিকিৎসা চলছে ,নানা রকম অজুহাত। প্রায় দু ঘণ্টা অতিক্রম হবার পর জানানো হয় রোগী মারা গেছে। অপর দিকে রোগীর আত্মীয় দেব বক্তব্য যদি সকালেই মারা যায় বা আমরা আসবার পর মারা গিয়ে থাকে তাহলে কি করে বডি ঠান্ডা শক্ত হয়ে গেল ? যদি রাতেও মারা গিয়ে থাকে তাহলে কেন পরিবারের লোক কে জানানো হল না ? তাহলে কি গতকাল রতের অন্টিবায়োটিক ই কাল হল ভরত বাবুর ? প্রশ্ন উঠে আসছে অনেক।

এ দিকে নার্সিংহোম কে বাঁচাতে মরিয়া পুলিশ প্রশাসন। রোগীর আত্মীয় দের দাবি আমরা পুলিশ কে ডাকি নি , নার্সিং হোম ডেকেছে , আর সেই সঙ্গে পুলিশ ও বাঁচিয়ে যাচ্ছে নার্সিংহোমকে।রীতিমতো ডাক্তার থেকে নার্সিং হোম কর্তাদের একটি ঘরে গার্ড করে, রুমের সামনে পুলিশ বাহিনী মোতায়ন করেছে। সাংবাদিক দেরও কথা বলতে দাওয়া হল না কর্তৃপক্ষ এর সাথে,বাধা দেয় পুলিশ। কিন্তু কেন এতটা আতাত কর্তৃপক্ষ এর সাথে পুলিশ এর ?