ধর্ষণকাণ্ডকে ঢাকা দিতে লক্ষাধিক টাকা ঘুষ নেওয়ায় গ্রেফতারের মুখে পুলিশ অফিসার

ধর্ষণকাণ্ডকে ঢাকা দিতে লক্ষাধিক টাকা ঘুষ নেওয়ায় গ্রেফতারের মুখে পুলিশ অফিসার
আজবাংলা     যাদের কাছে মানুষ ছুটে যান সাহায্যের জন্য আর তারাই যখন হয়ে ওঠেন ভিলেন | তখন মানুষ কার কাছে যাবেন সাহায্যের জন্য? এক ধর্ষণ অভিযুক্তকে বাঁচাতে ৩৩ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন আহমদাবাদের এক থানার মহিলা পুলিশ আধিকারিক | এবার ওই মহিলা পুলিশ আধিকারিক নিজের জালে নিজেই জড়িয়ে পড়লেন | জোড়া ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্তকে বাঁচাতে লক্ষাধিক টাকা ঘুষ নিয়ে ঘটনাটিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন ওই মহিলা পুলিশটি | সূত্রে খবর, দুই মহিলা কর্মী থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করেন যে তারা কাজ করেন গ্যাপ কর্প সায়েন্স নামে একটি বেসরকারি সংস্থায় এবং সেখানকার ম্যানেজিং ডিরেক্টর কেনাল শাহ তাদের দু'জনকে ধর্ষণ করেন | এই দুটি ধর্ষণের অভিযোগের মধ্যে একটি অভিযোগের দায়িত্ব গিয়ে পড়ে সাব-ইনপ্সেক্টর তথা থানার ইনচার্জ শ্বেতা জাদেজার উপর | অভিযোগের দায়িত্ব তার ওপর আসার পরেই তিনি অভিযুক্তর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের তাঁকে চেয়ে বসেন | তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, এই ধর্ষণকাণ্ডকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তিনি অভিযুক্তর কাছে থেকে ৩৩ লক্ষ টাকা ঘুষ চান | তারসঙ্গে এই টাকা যদি না দিতে পারেন তাহলে ওই অভিযুক্তকে জোড়া ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতারের হুমকিও দেন তিনি | শ্বেতার বিরুদ্ধে ক্রাইম ব্রাঞ্চে দাখিল করা এই অভিযোগেই আনা হয়েছে | শ্বেতা জাদেজা মাত্র ৪ বছর আগে পুলিশে যোগ দেন | জানি গিয়েছে, তিনি অভিযুক্তের দাদাকে থানাতে ডেকে এনে ঘুষের দেওয়ার প্রস্তাব দেন | তারপরেই ওই অভিযুক্তের দাদা শ্বেতার বলে দেওয়া ব্যক্তির অ্যাকাউন্টেও পাঠিয়ে দেন | এখানেই শেষ নয় ফের আবার দ্বিতীয়বারের মামলার জন্য ফের তাদের কাছে টাকা চেয়ে বসেন এই মহিলা পুলিশ অফিসার | এরপরেই অভিযুক্তের দাদা উচ্চতর কর্তৃপক্ষের কাছে শ্বেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান | খবরটি জানার পরেই ক্রাইম ব্রাঞ্চ তদন্তে নেমে শ্বেতার বিরুদ্ধে প্রমান জোগাড় করেন | জানা গিয়েছে, উপর মহল থেকে নির্দেশ এলেই যেকোনো মুহূর্তে গ্রেফতার করা হবে এই মজিলা পুলিশ আধিকারিককে |