বিভিন্ন দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষিকারা বসেছেন অনশনে।নিশ্চুপ রাজ্য সরকার

আজবাংলা কার্যত দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা দফতরের কাছে বেতন বৃদ্ধির চিঠি দিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি বলে শনিবার থেকে অনশনে বসেছেন রাজ্যের প্রাথমিকের শিক্ষক-শিক্ষিকারা । রাজ্যের প্রতিটি জেলা থেকে বহু শিক্ষক-শিক্ষিকা এই আন্দোলনে সামিল হয়েছে।তাঁদের একটাই দাবি রাজ্যে প্রায় ২ লক্ষ প্রাথমিক শিক্ষক আছেন। তাঁদের সঠিক বেতন পরিকাঠামো যাতে ঠিক করা হয় তাঁর দাবিতেই অনশনে বসেছেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের দাবি, তাঁরা বারবার শিক্ষামন্ত্রীকে বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে জানালেও তা বাস্তবে রূপায়িত হয়নি। লিখিত ভাবে কিংবা মৌখিকভাবে শিক্ষামন্ত্রী প্রস্তাবে রাজি হলেও, হাতে-নাতে সে ফল পাননি প্রাথমিক শিক্ষকেরা। তাই খাতায়-কলমে যাতে তাঁদের বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব মেনে নতুন নিয়ম লাগু হয় সেই বিষয়ে আবেদন করেছেন ওই আন্দোলনকারীরা।এই বিষয়ে উস্তি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য কোর কমিটির সদস্য বলেন রাজ্যে প্রায় ২ লক্ষ প্রাথমিক শিক্ষক আছেন। তাঁদের সঠিক বেতন পরিকাঠামো যাতে ঠিক করা হয় তাঁর দাবিতেই অনশনে বসেছেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের দাবি, তাঁরা বারবার শিক্ষামন্ত্রীকে বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে জানালেও তা বাস্তবে রূপায়িত হয়নি। পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকারা ২০০৬ সাল থেকে বেতন বঞ্চনার শিকার। সর্বভারতীয় বেতনক্রম বা PRT স্কেল আমাদের ন্যায্য দাবি বলে জানান তিনি। আমাদের দাবি এই আন্দোলন করতে গিয়ে যে ১৪ জন সহযোদ্ধাকে অনৈতিকভাবে বিভিন্ন জেলায় বদলি করা হয়েছে তাদের আবার ফিরিয়ে আনতে হবে।যদিও এই বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, 'যারা অনশনে অংশগ্রহণ করেছেন কাজে না যোগ দিয়ে তাঁদের ছুটি কাটা হবে, সবকিছু বিষয় আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত করা যায়। দাবির চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল পড়ুয়াদের পড়াশুনা। তা না মেনে অনশন করার কোনও যুক্তি নেই।' সূত্রের খবর, আগামী ২১ জুলাই-এর পর নজরুল মঞ্চে প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়ে একটি বৈঠক আছে, সেখানেই শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি সহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করার কথা আছে বলে জানা গিয়েছে।