রাজ্য সরকারের দ্বিচারিতার বিরুদ্ধে আমরণ অনশনে প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষিকারা

কবিতা মান্না আজবাংলা বিধাননগরে উন্নয়ন ভবনের পাশে আমরণ অনশন শুরু করেছেন প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষিকারা । উস্তি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সমর্থকদের দাবি, সরকারি দলের কোন প্রতিনিধি তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে চাইছেন না। এই সংগঠনের সভাপতি সঞ্জীব ঘোষ জানিয়েছেন, "আমরা আমাদের আন্দোলন মূল দুটি দাবিকে নিয়ে সংগঠিত করছি। আমাদের এই আন্দোলনের ভবিষ্যত্‍ সম্পূর্ণ সরকারের উপর নির্ভর করছে এবং এই আমরণ অনশনকারী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কোনও ক্ষতি হলে তার দায়ভার সম্পূর্ণরূপে সরকারের উপর বর্তাবে। উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশান দীর্ঘ একবছর যাবৎ নানা আন্দোলনের মধ্যো দিয়ে সরকারের কাছ থেকে কোন সন্তোষজনক ফলাফল না পেয়ে আমরণ অনশণ কেই শেষ অস্ত্র হিসাবে বেছে নিতে বাধ্য হল বলে জানান সংগঠনের সভাপতি সঞ্জীব ঘোষ ।পশ্চিমবঙগের বঞ্চিত ও অসম্মানিত ১ লক্ষ ৮৮ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের তরফ থেকে আপাতত ১২ জন শিক্ষক,শিক্ষিকা মঞ্চে আমরণ অনশণ করছেন বলে জানান সংগঠনের সম্পাদিকা পৃথা বিশ্বাস। তিনি বলেন যতক্ষন না সরকার আমাদের নায্য দাবী অর্থ্যাৎ বেতন বৈষম্যের অবসান ও ১৪ জন প্রাথমিক শিক্ষকের অনৈতিক দূরদূরান্তে বদলীর অবসান করেন এবং সরকারী ভাবে এগুলির মান্যতার G.O অর্ডার প্রকাশ করেন ততক্ষণ এই আমরণ অনশন চলবে । আমরা বেতন বৈষম্যের শিকার হচ্ছি- এই দাবি বিধানসভায় শিক্ষামন্ত্রী মেনে নেন। এই দাবি করে পৃথা বিশ্বাস বলেন, মন্ত্রী আমাদের বেতনহার পরিবর্তনের মাধ্যমে এই বৈষম্যের অবসান ঘটানোর আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা এই ব্যাপারে তাঁর কাছে সরকারিভাবে আদেশনামা প্রকাশের অনুরোধ করি। তিনি বলেন কিছুদিন সময় লাগবে। এর পরে আমরা বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে জানতে পারি আমাদের সংগঠন নাকি মাদ্রাসা প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন দাবি করেছে। এ কথা সম্পূর্ণ ভুল। আমরা ন্যায্য বেতনের দাবিতে ও সরকারের সাথে আলোচনার পথ খোলা রাখে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো ।