যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাজ্যের মর্যাদা হারালো জম্মু-কাশ্মীর

আজবাংলা ৩৭০ ধারা ভারতীয় সংবিধানের এই ধারায় জম্মু-কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা ও বিশেষ স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হয়েছিল। সংবিধানের ১১ নম্বর অংশে অস্থায়ী, পরিবর্তনশীল এবং বিশেষ সংস্থানের কথা বলা হয়েছে।জম্মু-কাশ্মীরকে পুর্নগঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার পথে কেন্দ্র। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, লাদাখকে বিধানসভাহীন এবং জম্মু ও কাশ্মীরকে বিধানসভাযুক্ত কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল করার প্রস্তাব রাখা হয়।জম্মু-কাশ্মীরকে পুনর্গঠন কারার যুক্তি হিসাবে কেন্দ্র জানিয়েছে, লাদাখের মানুষের অনেকদিনের দাবি ছিল জম্মু-কাশ্মীরের এই দুর্গম অঞ্চলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হোক। তাঁদের দাবির কথা মাথায় রেখে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল করার সুপারিশ করা হয়েছে। অন্য দিকে জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ, হিংসা রুখতে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিধানসভা যুক্ত কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হবে জম্মু ও কাশ্মীর। ৩৭০ ধারার অধীনেই ছিল ৩৫এ ধারা। এই ৩৫এ ধারা অনুযায়ী কাশ্মীরের স্থায়ী বাসিন্দারাও বিশেষ সুবিধা পেতেন। স্থায়ী বাসিন্দা ছাড়া অন্য রাজ্যের কেউ সেখানে স্থাবর সম্পত্তি কিনতে পারতেন না। কিনতে হলে অন্তত ১০ বছর জম্মু-কাশ্মীরে থাকতে হত। এ বার যে কোনও রাজ্যের বাসিন্দা সেখানে জমি কিনতে পারবেন। স্থায়ী বাসিন্দা ছাড়া জম্মু কাশ্মীরে অন্য রাজ্যের কেউ সেখানে চাকরির আবেদন করতে পারতেন না। দিতে পারতেন না ভোটও। কে স্থায়ী বাসিন্দা এবং কে নয়, তা নির্ধারণ করার অধিকার ছিল রাজ্য বিধানসভার উপরেই ন্যস্ত।এই ধারা অনুযায়ী রাজ্য অর্থাৎ জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভাই ঠিক করতে পারত, রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা কারা এবং তাঁদের বিশেষ অধিকার কী ধরনের হবে।জম্মু-কাশ্মীরের কোনও মহিলা রাজ্যের বাইরে কাউকে বিয়ে করলে তিনি সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত হতেন। অর্থাৎ তাঁর সম্পত্তিতে আর কোনও অধিকার থাকত না। এমনকি, তাঁর উত্তরাধিকারীরাও ওই সম্পত্তির মালিকানা বা অধিকার পেতেন না।