চিন সীমান্তবর্তী দেশের সর্ববৃহত্‍ বগিবিল সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

Prime Minister Sheikh Hasina will inaugurate the largest bogibil bridge in the border with China
দেশের সর্ববৃহত্‍ বগিবিল সেতু

আজবাংলা  ১৯৯৭ সালের জানুয়ারিতে তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী হারাদনাহল্লি দেদ্দেগৌড়া দেবেগৌড়া বগিবিল সেতুর শিলান্যাস করেছিলেন।এর কাজ শুরু করেছিলেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী, ২০০২ সালের এপ্রিলে। ইত্যবসরে গরিমসির মাধ্যমে কেটে গেছে ১৬ বছর। পরবর্তীতে নরেন্দ্র মোদী সরকার দায়িত্ব নিয়ে বগিবিল সেতু তাঁর কার্যকালের মধ্যে সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।  ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর ৪.৯৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারতের সর্ববৃহত্‍ এবং এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্‍ এই তিন লেনের যানবাহন এবং ডাবল ট্র্যাকের রেলসেতু দেশের সবচেয়ে ছোট এলাকাকে স্পর্শ করবে। সেতুটি অসমের ডিব্রুগড় এবং চিন সীমান্তবর্তী অরুণাচল প্রদেশের পাসিঘাটের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে। এর নকশা করা হয়েছে সুইডেন এবং ডেনমার্কের ভাবনায়। সেতুটি অসম এবং অরুণাচলের মধ্যে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার দূরত্বের অবসান ঘটানোর পাশাপাশি জনতার অশেষ কষ্ট লাঘবে সক্ষম হবে। কেবল তা-ই নয়, আন্তর্জাতিক সীমান্তরক্ষায় নিয়োজিত সেনা বাহিনীর জন্যও এই সেতু বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রক্ষা করবে । গত ২২ অক্টোবর বগিবিল সেতুর ওপর দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে প্ৰথম পূৰ্ণাঙ্গ ট্রেন চালিয়েছে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেল কর্তৃপক্ষ। ট্রেনটি ডিব্ৰুগড়ের ধমলগাঁও স্টেশন থেকে ধেমাজির টঙানি স্টেশন পর্যন্ত ঘণ্টা ১২০-১৪০ কিলোমিটার বেগে চালানো হয়েছে বলে জানান রেল প্রতিমন্ত্রী রাজেন গোহাঁই। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ভারতরত্ন অটলবিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিনকে স্মরণীয় করে রাখতে আগামী ২৫ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে উদ্বোধন হচ্ছে বহু প্রত্যাশিত বগিবিল সেতু। বিশেষ এই দিন সেতুর উদ্বধন করে অসমবাসীকে উপহার দেবেন প্ৰধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰ মোদী। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের উদ্ধৃতি দিয়ে আজ বুধবার সকালে সরকারিভাবে এ খবর জানানো হয় ।