সামাজিক দায়বদ্ধতায় শান্তিপুরের নিষিদ্ধপল্লীতে কর্মবিরতি

মলয় দে  আজবাংলা  শান্তিপুর  :-সমাজেরই লালসায় মুখ পুড়ে ছিল অনেক দিন আগেই! এই সমাজে বানিয়েছিল দেহ ব্যবসায়ী,উপভোগের পণ্য। আবার এই সুশীল সমাজে তাদেরই দেওয়া নানা তকমা ব্যবহৃত হয় গালাগালি হিসেবে।তবুও তারা সেই সমাজের মঙ্গলার্থে, নিজেদের রুজি রোজগার বন্ধর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা সোনাগাছি সহ বেশ কিছু এলাকায়। কিন্তু তাতেও প্রশ্ন থেকে যায় নিন্দুকের, যদি বলেন নিজের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত! প্রশ্ন থেকে যায় অনেক। এইচআইভি, পক্স, ইনফ্লুয়েঞ্জা, হাম, ডায়রিয়া সহ একাধিক জেনেশুনেই পান করতে হতো এতদিন! নয়তো আর এক ধাপ এগিয়েও সমাজের প্রতি একরাশ ঘৃণা উগলে দেওয়ার জন্য আত্মঘাতী হিসাবে "করোনা"সংক্রামন করা খুব একটা অন্যায় হতো না সমাজ-সংসার ভালোবাসা সম্মান শ্রদ্ধা বর্জিত যৌনকর্মীদের। সে অনেক কথা, থাক বিতর্ক!অর্থের কাছে, এ সমাজে অনর্থ বলে কিছুই হয়না।তবুও সামাজিক দায়বদ্ধতায় শুধুমাত্র মানবিক কারণে নিজেদের "রুজিরোজগার"অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখতে আজ থেকে উদ্যত হল শান্তিপুর মালোপাড়া সংলগ্ন দুর্বার মহিলা সমিতির সদস্যরা। বেশ কয়েকজনের সঞ্চিত অর্থ কিছুই নেই ,যা দিয়ে তারা আগামীতে ন্যূনতম দুবেলা দুটো খেয়ে পরে বাঁচতে পারে।সোশ্যাল মিডিয়া, মাইকে বক্তব্য রাখা গুণী মান্য কিছু মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও এ ব্যবস্থা করতে পারল না সহমত প্রকাশ করে পাশে থাকা দু এক জন। বাস্তব আর আবেগ এর মধ্যে ব্যবধান যে এত বড়, তা বোধহয় চরম সংকটেই অনুভূত হয়। খুব নগণ্য শতাংশ হলেও কিছু মানুষ থাকে, যাদের নিজেদের জোটে না খাবার, তাদেরই সহযোগিতায় যোগালো 300 যৌনকর্মী মধ্যে প্রান্তিক 45 টি পরিবারকে।