স্কুলের ভর্তি ফি সরকার নির্ধারিত টাকার থেকে দ্বিগুণ নেওয়ার প্রতিবাদে মিছিল

প্রতিবাদে মিছিল
প্রতিবাদে মিছিল

তনুজ জৈন আজবাংলা হরিশ্চন্দ্রপুর স্কুলের ভর্তি ফি সরকার নির্ধারিত টাকার থেকে দ্বিগুণ নেওয়া হয়। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকের রেজিস্ট্রেশন ফি দ্বিগুণেরও বেশি নেওয়া হয় পড়ুয়াদের কাছ থেকে বলে অভিযোগ। এমনকি সময় পেরিয়ে গিয়েছে বলে অজুহাত দিয়ে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য বেশ কিছু ছাত্রের কাছ থেকে দু হাজার টাকা করে আদায় করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। সরকারি নানা তহবিল থেকে স্কুলে বই কেনা, খেলাধুলোর সরঞ্জাম কেনার জন্য প্রচুর টাকা দেওয়া হয়। ভর্তির সময় জোনেশনের নামে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে লক্ষলক্ষ টাকা আদায় করা হয়। কিন্তু তা দিয়ে কোনও উন্নয়ন হয় না বলে অভিযোগ। এছাড়া স্কুলে মিড ডে মিল নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতি চলছে বলে অভিযোগ। খাবারের মান এতটাই খারাপ যে গড়ে দিনে ৫০ থেকে ৬০ জন ছাত্র খাবার খায়। যদিও প্রতিদিন বিল পাঠানো হয় ৪০০ থেকে ৫০০ জনের বলে অভিযোগ। এমনই একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রধান শিক্ষককে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখালেন ছাত্র ও অভিভাবকরা। মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের চন্ডীপুর হাই স্কুলে সোমবার ওই বিক্ষোভের ঘটনাটি ঘটে। ছাত্র-অভিভাবক সংগ্রাম কমিটির নেতৃত্বে ওই বিক্ষোভ-আন্দোলনকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। প্রশাসন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিক বলেও তারা দাবি করেছেন। এই প্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের বিডিও অনির্বান বসু বলেন, ছাত্র-অভিভাবক সংগ্রাম কমিটির অভিযোগ, মিড ডে মিল থেকে শুরু করে স্কুলের উন্নয়নের জন্য যথেষ্ট টাকা সরকার দেয়। কিন্তু তাতে না হয় উন্নয়ন, না ভালো খেতে পায় গরিব-গুর্বো পড়ুয়ারা। এলাকার ৯৫ শতাংশ মানুষই গরিব, খেটে খাওয়া মানুষ। রেজিস্ট্রেশনের জন্য ২৫০ টাকার বদলে তাদের মতো মানুষদের কাছ থেকে ৫৫০ টাকা নিয়ে বাকি টাকা পকেটে ঢোকানো হচ্ছে। দুদিন দেরী করে আসায় একাদশ শ্রেণিতে বেশ কিছু ছাত্রকে ভর্তি করানো হয়েছে দু হাজার টাকা বাড়তি নিয়ে। তাদের আরও অভিযোগ, একাদশ শ্রেণিতে কোন ছাত্র কি বিষয় নিবে তা প্রধান শিক্ষক ঠিক করে দিচ্ছেন। ছাত্রদের নিজের পছন্দের বিষয় নিতে দেওয়া হচ্ছে না। আবেদন জানালে উল্টে টিসির হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া স্কুলে নানা কাজে আসা অভিভাবকদের সঙ্গে প্রধান শিক্ষক চরম দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ।একাদশ শ্রেণির কয়েকজন ছাত্রছাত্রী জানায়, কন্যাশ্রীর ফর্ম পূরণের জন্য ও সাইকেল দেওয়ার সময় তাদের কাছ থেকে রশিদ ছাড়াই ৩০ থেকে ৪০ টাকা নেওয়া হয়। এছাড়া পরিচয়পত্রের জন্যও বাড়তে টাকা নেওয়া হয়।ছাত্র-অভিভাবক সংগ্রাম কমিটির সভাপতি মুসারফ হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক সামাউল আলিরা বলেন, হরিশ্চন্দ্রপুর থানার মধ্যে সবথেকে পুরনো এই স্কুলটি। কিন্তু প্রধান শিক্ষকের স্বৈরাচারী মনোভাব, নিজের মর্জিমতো নিয়ম, চরম দুর্নীতি, সব মিলিয়ে ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটি আজ বিপন্ন। এলাকার অধিকাংশ পড়ুয়া অভাবি, খেটে খাওয়া পরিবারের। তারা যেভাবে শোষিত হচ্ছে তাতে বাধ্য হয়েই পথে নামতে হয়েছে। সমস্যা না মিটলে আরও বড় আন্দোলন হবে। এই প্রসঙ্গে স্কুলের প্রধান শিক্ষক জুলফিকার আলি অবশ্য অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন,

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!