ত্রিপুরায় দশ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষন

প্রসেনজিৎ দাস,  আগরতলা  : 
দশ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত তার কাকা সুভাষ মালাকারকে এখনও পুলিশ গ্রেফতার করেনি। এতে এলাকাবাসীর ক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে পুলিশকে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য, অভিযুক্ত নরপিশাচ সুভাষ মালাকার ঘটনার পর থেকে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। তাদের দাবি, অবলম্বে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে তাকে ফাঁসি দিতে হবে। কারণ ১২ বছরের নীচে শিশু, কিশোরী রক্ষার্থে সংসদের বিগত অধিবেশনে এ জাতীয় বিরল থেকে বিরলতম অপরাধের ক্ষেত্রে ফাঁসিই একমাত্র উপযুক্ত শাস্তি বলে পকসো আইন ২০১২-কে সংশোধিত করা হয়েছে।
জানা গেছে, এই ঘটনার চারদিন পর পানিসাগর থানা মামলা লিপিবদ্ধ করে। যার নম্বর ৪৮/২০১৮। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ (২)(১) এবং পকসো অ্যাক্ট ২০১২-এর ৪ ধারা যুক্ত করা হয়েছে মামলায়। কিন্তু অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা করা হলেও এখনও পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারেনি বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। অপরদিকে পুলিশ জানিয়েছে, তারা অবিলম্বে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হবে।
অভিযোগে প্রকাশ, ৪ সেপ্টেম্বর রাতে মা বাবা যখন ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন ১০ বছরের কিশোরী ভাতিজিকে তার ঘরে ঢুকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করেছে কাকা সুভাষ মালাকার (২৬)।
কিশোরীর চিৎকারে পাশের বিছানায় ঘুমন্ত মা হতচকিত হয়ে ওঠেন এবং অভিযুক্ত সুভাষ মালাকারকে পালানোর সময় শনাক্ত করতে সক্ষম হন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পানিসাগর থানায় জনরোষ তৈরির উপক্রম হয়।