উন্নয়নের আশায় নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন দক্ষিন সুন্দরবনের মৌশুনীদ্বীপের বাসিরা

শান্তধু পুরকাইত, আজবাংলা দক্ষিন ২৪ পরগনা নদীর ভাঙা বাঁধ। ঝোড়ো হাওয়াই নোনা জলের ঢেউয়ে দাপটে হারিয়েছে খর আর টালির ছাউনি দেওয়া বহু মেটে বাড়ি। বর্ষা নামলে জলের উপর বসে থাকতে হতো গরু ছাগল সাপ পোকামাকড়ের সঙ্গে । দুরবিসহ জীবন যাপন করতেন দ্বীপ বাসি। আইলার সেই ভয়াবহ দুস্বপ্নের কথা আজও স্মৃত্মী হয়ে রয়েছে দক্ষিন সুন্দরবনের মৌশুনীদ্বীপ বাসির মনে। সালটা ২০০৯।যখন বাম ক্ষমতায় ছিল রাজ্য । একের পর এক দ্বীপ বাসির সমস্যা। যা সমাধানে ব্যর্থ ছিলেন তৎকালিন সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী কান্তি গাঙ্গুলি। দক্ষিন সুন্দরবনের নামখানা ব্লকের মৌশুনি গ্রামপঞ্চায়েত । দ্বীপের তিনটে মৌজার পশ্চিম প্রান্ত সর্বশান্ত করেদিয়েছে আইলা । পরিবর্তন হয়েছে । প্রত্তাশা প্রতিশ্রুতির মধ্যো দিয়ে অভাব অনঠন ভরা মানুরা আইলা, লাইলা ,হুদহুদ,ফনীর মতো ঝড়ের পর অবশেষে বাঁধ পেয়েছে। প্যাচপ্যাচে কাদা রাস্তায় ইট কংক্রিটে রুপান্তরিত হয়েছে মৌশুনী দ্বীপ । ফেরী ঘাট থেকে বিদ্যুতায়ন , পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হয়েছে । পরিপূর্ন চাহিদা মিটেছে দ্বীপে । আসছে পর্যটকেরা ।হুজুকের ঘাট থেকে দক্ষিন পশ্চিম আর পূর্ব প্রান্ত বরাবর গড়ে উঠেছে গ্রাম্য কটেজ । যা অভাব অনঠন দুর করে আর্থিক উন্নতি ঘটাচ্ছে দ্বীপ বাসির মনে। ২০১৮ পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর সল্টঘেরিতে সাগরের পাশে গ্রাম্য কটেজ উদ্দ্যোগ গ্রহন করেন সদস্য আব্দুল কায়েম খান । পরে থাকা সাদাবালির চর আর ঝাউ বনে বনদপ্তরের অনুমতি নিয়ে ব্লক ও জেলা প্রশাসনের সহযোগে গড়ে তোলেন গ্রাম্য ৩৫ টি কটেজ ।দক্ষিন সুন্দরবনের যা উৎবৃত্ত করেছে মৌশুনীদ্বীপকে । পাশাপাশি পর্যটকদের । দিনের পর দিন বাড়ছে পর্যটকদের সংখ্যা ।তাদের কথা মাথায় রেখে রাস্তা ঘাট থেকে ফেরি সংস্করনের দাবি রেখেছেন কটেজ মালিকেরা। নিরাপত্তা নিয়ে সাধুবাদ জানিয়েছে ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককে। চাওয়া পাওয়া দ্বীপবাসিদের কথা মাথায় রেখে দ্বীপের পরিকাঠানো উন্নতি করতে ঘুরে দেখলেন সাগর বিধায়ক বম্কিম হাজরা । আইলা বাঁধের টাকা কেন্দ্র খরচ না করলেও সেচ দপ্তরের তরফে খরচ হয়েছে ৩৫ কোটি টাকা । শুধু তাই নয় মৌশুনী দিপকে উৎজীবিত করার জন্য সুন্দরবন দপ্তর সহ সাগর বকখালি উন্নয়ন দপ্তর আরো কাজ করার প্রত্তাশা দেন সাগর বিধায়ক বম্কিম চন্দ্র হাজরা। মৌশুনী মানুষের অভাব অভিযোগের দিন শেষের পথে। উন্নয়নের তারন্নে নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন দ্বীপবাসি। দুস্বপ্ন ভুলে নতুন করে বাঁচার প্রয়াশ জেগেছে পঁত্রিশ হাজার মৌশুনীদ্বীপ বাসির মনে