শান্তিপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগে বিভিন্ন জায়গায় পথঅবরোধ করে বিক্ষোভ

শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতাল
শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতাল

মলয় দে আজবাংলা শান্তিপুর গতকাল রাতেও সুস্থ হয়ে ছিলেন শান্তিপুরের মাতাল ঘর এলাকার গৃহবধূ মিনা দাস। আজ সকালে সশরীরে বাড়ি থেকে 5 মিনিটের পথ পায়ে হেঁটে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতাল যান ডাক্তার দেখাতে। ভর্তি করে নেয়া হয় মিনা দেবীকে সাময়িক কিছু ওষুধ দেয়া হয় খেতে। হঠাৎই বাড়তে থাকে পেটে ব্যথা এবং জ্বর। ডাক্তার ইনজেকশন দেন আরো অবনতি হয় রোগীর শারীরিক পরিস্থিতি। চরম সংকট কুল পরিবেশে ডাক্তার কে ডাকতে থাকেন আর জোর করে, ডাক্তারবাবু যাচ্ছি যাচ্ছি করে বেশ খানিকটা সময় অতিক্রান্ত করেন। প্রায় আধ ঘন্টা পরে অবশেষে এসে ডাক্তারবাবু মৃত বলে ঘোষণা করেন।এমনটাই অভিযোগ করেন রোগীর দেবর প্রত্যক্ষদর্শী দীপক দাস।এরপর ক্ষোভে ফেটে পড়েন রোগীর আত্মীয় পরিজন প্রতিবেশীরা কুড়ি মিনিট পথ অবরোধ করে দাঁড়ান শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হসপিটাল এর সামনে। শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হসপিটাল এর সুপার জয়ন্ত বিশ্বাস বিশেষ কাজে কৃষ্ণনগর গেছে বলে জানতে পারেন মৃত রোগীর আত্মীয় পরিজন প্রতিবেশীরা।বিক্ষোভ সংঘটিত হয় শান্তিপুর ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক বাইগাছি মোড়ে।শান্তিপুর থানার ওসি মুকুন্দ চক্রবর্তী রা্্যফ না বিয়ে পরিবেশ অনুকূলে আনেন। এ প্রসঙ্গে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতাল এর সুপার জয়ন্ত বিশ্বাস জানান হাসপাতালে কাজেই কৃষ্ণনগর যাচ্ছিলাম, শোনামাত্র চলে আসি। সুপার জয়ন্ত বিশ্বাস বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করার আশ্বাস দিয়ে বলেন উত্তেজিত জনতার মধ্যে থেকে রোগীর পরিচিত কেউ নন অথচ শান্তিপুর হাসপাতালে প্রায় ঝামেলা করেন এমন কিছু মানুষ আমাকে ধাক্কা মারে। প্রসঙ্গত গত ১৮ জুলাইএক প্রসূতির সিটি স্ক্যান করার মতো বেশ কিছু ঘটনার পুনরাবৃত্তি শোনা যায় আজকের বিক্ষোভ। প্রশ্ন ওঠে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে বিভিন্ন দালাল চক্রের কথাও। হসপিটাল কোয়ার্টারে বহিরাগতদের নিয়মিত আড্ডা বন্ধের দাবি জানান তারা।