বাংলাদেশে রোহিঙ্গা মুসলিমদের’ হাতে আক্রান্ত রোহিঙ্গা খ্রিস্টান শরণার্থীরা

আজবাংলা   রোহিঙ্গা মুসলিমদের জঙ্গি সংগঠনের হাতে আক্রান্ত রোহিঙ্গা খ্রিস্টানরা।এক প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করেছে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’।সংগঠনটির দাবি, গত জানুয়ারি মাসে কক্সবাজারের কুতুপালংয়ের দুই নম্বর শিবিরে খ্রিস্টানদের উপর হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। বাসিন্দাদের জিনিসপত্র লুট-সহ তাহের নামের এক যাজক ও তাঁর ১৪ বছরের নাবালিকা কন্যাকে অপহরণ করা হয়। ওই হামলায় গুরুতর আহত ১৫ জন খ্রিস্টান শরণার্থীকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। অভিযোগ, হামলাকারীরা ‘আরকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি’ নামের একটি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত।যদিও এই অভিযোগ খারিজ করেছে সংগঠনটি। তাদের দাবি, রোহিঙ্গাদের জন্য দলের লড়াই অব্যাহত থাকবে। হামলায় নাম জড়িয়ে তাদের বদনাম করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় শিবিরে এই সহিংসতার কথা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। তবে এতে আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি’র (আরসা) জড়িত থাকার কথা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এদিকে, রোহিঙ্গা শিবির থেকে অপহৃত যাজকের স্ত্রী রশিদা  ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’কে বলেন, “করও কাছেই কোনও খবর পাচ্ছি না। তবে আত্মীয়দের অনেকেই বলছেন আমার স্বামীকে হত্যা করে মেয়েকে ইসলাম গ্রহণ করতে বাধ্য করা হয়ছে।” ক্যাম্পের অন্য এক বসিন্দার দাবি, ঘটনাটি সামান্য আইনশৃঙ্খলা জনিত বলে ধামাচাপা দিতে চাইছে প্রশাসন।এখনও পর্যন্ত অপহৃত খুঁজে বের করার কোনও চেষ্টাই করা হচ্ছে না।  পুলিশ বলেছে, সাধারণ আইন শৃংখলা বিষয়ক এক ঘটনায় চারজন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের এবং একজন মুসলিম আহত হয়েছেন। কুতুপালংয়ে শরণার্থী শিবিরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আশ্রয়প্রার্থী হয়ে এতদিন বাংলাদেশে ছিল যে রোহিঙ্গারা, আজ তারাই হয়ে উঠেছে মাথাব্যথার কারণ৷ মাদক কারবার থেকে শুরু করে খুন-ডাকাতি, বিদেশী কিশোরী-যুবতী পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে এরা।