শীতে সুস্থ থাকতে চান? তাহলে এড়িয়ে চলতে হবে ৬ টি খাবার

শীতে সুস্থ থাকতে চান? তাহলে এড়িয়ে চলতে হবে ৬ টি খাবার

আজ বাংলা: সামনেই শীত আসছে। এদিকে কোভিডে জর্জরিত গোটা দুনিয়া। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন শীতকালে সংক্রমণ বেশি ছড়াবে । কম তাপমাত্রা শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রভাবিত করে। অর্থাৎ অন্য যে কোনও সিজনের চেয়ে এই ঋতুতে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।  এই সময় রোগ এড়াতে ডায়েটের বিশেষ যত্ন নেওয়া উচিত।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, শীতে আমাদের নির্দিষ্ট কিছু খাবার খাওয়া একেবারে বন্ধ করা উচিৎ।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে ডায়েটে খুব বেশি মিষ্টি খাবার খাওয়া আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয়। একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যারা মিষ্টি খাবার খান তারা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে পারেন।

এসময় আমাদের সফট ড্রিঙ্কস ও চিনিযুক্ত খাবার থেকে দূরে থাকা উচিত।প্রায় সবসময়ই বলা হয় ভাজা খাবার না খেতে। কিন্তু শীতকালে এই খাবার সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। এই ধরনের ভাজা খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে যা নানান সমস্যার সৃষ্টি করে।

এছাড়া হিস্টামিন প্রতিরোধ ব্যবস্থা থেকে তৈরি এমন যৌগ যা দেহকে অযাচিত পদার্থ থেকে রক্ষা করে। কিছু খাবার, যেমন ডিম, মাশরুম, টমেটো, শাক, শুকনো ফল এবং দইয়ে এগুলো এত বেশি পরিমাণে থাকে, যা শ্লেষ্মার সমস্যা বাড়াতে পারে। শীতকালে শ্বাস-প্রশ্বাস সম্পর্কিত কোনও সমস্যা থাকলে এগুলি খাওয়া খুব বেদনাদায়ক হতে পারে।

 
শীতে অনেকেই কফি, চা, হট চকলেট পছন্দ করে। তবে আপনি কি জানেন, এই সমস্ত জিনিসে উপস্থিত ফ্যাট এবং ক্যাফিন দেহকে হাইড্রেট করে, যার কারণে আমরা অনেক সমস্যার মধ্যে পড়তে পারি। এদিকে শীতকালে ঝাল ঝাল খাবার আপনার বদ্ধ নাকে স্বস্তি দিতে পারে তবে এটি আপনার পেটের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক।

তাই মশলাদার খাবারের চেয়ে সহজে হজম হয় এমন খাবার খাওয়াই ভালো।লাল মাংস এবং ডিমের মধ্যে সর্বাধিক প্রোটিন থাকে। তবে শীতের মরসুমে বেশি প্রোটিন আপনার বুকে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। মাংসের পরিবর্তে মাছ খেতে পারেন। যদিও মাছের মধ্যেও প্রোটিন থাকে তবে এটি খেলে স্বাস্থ্যের কোনও সমস্যা হয় না।