বিষমদ-কাণ্ডে মৃত্যু নদিয়ার শান্তিপুরের নিশ্চিন্তপুর চৌধুরীপাড়ায়

বিষমদ
বিষমদ

আজবাংলা শান্তিপুর   নদিয়ার শান্তিপুরের নিশ্চিন্তপুর চৌধুরীপাড়ায় রমরমিয়ে চলছে চোলাই ভাটি। রাতদিন সেখানে চোলাই বিক্রি হচ্ছে। সেই চোলাই খেয়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেকে। তাদের মধ্যে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ছ-জন পুরুষ ও একজন মহিলাও রয়েছেন। মৃতরা হলেন, দুলারতান মাহাতো, ভালোয়া মাহাতো, বুটো মাহাতো, কাশীনাথ মাহাতো, গৌতম শর্মা ও মুন্না রাই।শান্তিপুর বিষমদ-কাণ্ডের পরই রাজ্য সরকার কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। সাসপেণ্ড করা হয়েছে আবগারি দফতরের আধিকারিক-সহ ১১ জনকে। পাশাপাশি নিহতদের পরিবার পিছু দু-লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হয়েছে।  অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১৯ জন। তাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের কালনা মহকুমা হাসপাতালে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি চারজনের মৃত্যু হয়েছে নদিয়ার শান্তিপুরে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক চোলাই বিক্রেতারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগে বহুবার পুলিস-প্রশাসনকে জানিয়েও লাভ হয়নি। মূলত খেটে খাওয়া মানুষ দিনের শেষে সব খরচ করে ফেলে মদের ভাটিতে। তা নিয়ে ক্ষোভ-উত্তেজনা ছিল। এখন মদ খেয়ে মৃত্যুর ঘটনায় সেই ক্ষোভ দ্বিগুণ হয়েছে। পুলিশের কাছেও চ্যালেঞ্জ এই ঘটনা। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে বিষমদ কাণ্ডে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। উস্তি-মগরাহাট-সহ ডায়মন্ড হারবারের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিষমদ খেয়ে মৃত্যু হয়েছিল শতাধিক মানুষের।