আইসিসির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন শশাঙ্ক মনোহর

আইসিসির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন শশাঙ্ক মনোহর
আজবাংলা     আইসিসি চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন শশাঙ্ক মনোহর। আইসিসিতে চেয়ারম্যান পদে দু’ বছর পূর্ণ হওয়ায় দায়িত্ব ছাড়লেন মনোহর। পরবর্তী চেয়ারম্যান ঠিক না হওয়া পর্যন্ত আপাতত দায়িত্ব সামলাবেন ডেপুটি চেয়ারম্যান পদে থাকা সিঙ্গাপুরের ইমরান খোয়াজা। বুধবার আইসিসির বোর্ড মিটিং এই সিদ্ধান্ত হয়। নিজের মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ থাকলেও শশাঙ্ক সে পথে হাঁটলেন না। আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ে শশাঙ্ক মনোহরের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়। আইসিসি চিফ এক্সিকিউটিভ মানু সোয়াইনি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য শশাঙ্ক মনোহনকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। মনোহর সরে যাওয়ায় জল্পনা শুরু হয়েছে আইসিসি-র নতুন চেয়ারম্যান কে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ফের ভারত থেকে চেয়ারম্যান হওয়া নিয়ে কোনও সমস্যাই নেই। আইসিসি চেয়ারম্যান নির্বাচন প্রক্রিয়া আগামী সপ্তাহে শুরু হবে। আইসিসির তরফে খবর, ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে পরবর্তী চেয়ারম্যান ঠিক করে ফেলা হবে। শশাঙ্ক মনোহর জায়গায় চেয়ারম্যান পদে অন্যতম দাবিদার ইংল্যান্ডের কলিন গ্রেভস। তবে চেয়ারম্যান পদের জন্য সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম নিয়েও জল্পনা রয়েছে। অনেকেই চাইছেন সৌরভ দায়িত্বে আসুক।ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার ডেভিড গাওয়ার, গ্রেম স্মিথরা সৌরভকে ইতিমধ্যেই সমর্থন জানিয়েছেন। তবে সূত্রের খবর, এখন পর্যন্ত আইসিসির চেয়ারম্যান হওয়ার বিষয়ে খুব একটা আগ্রহ দেখাননি সৌরভ। ইতিমধ্যেই বিসিসিআই সুপ্রিম কোর্টে প্রেসিডেন্ট সৌরভ এবং সচিব জয় শাহের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করেছে। তবে এখনও শুনানির দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। দিন কয়েকের মধ্যেই সৌরভের মেয়াদ শেষ হবে বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট পদে। তবে সৌরভ ঘনিষ্ঠদের দাবি সুপ্রিম কোর্টে মেয়াদ বৃদ্ধি হলে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক বোর্ড প্রেসিডেন্ট পদে থাকতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন।এর মধ্যেই ইংল্যান্ডের কলিন গ্রেভস চেয়ারম্যান হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডেভ ক্যামেরনও নির্বাচনে লড়তে চান বলে জানিয়েছেন। নির্বাচনে ১৬টি দেশের মধ্যে ১১টি দেশের ভোট যিনি পাবেন, তিনিই হবেন আইসিসি-র চেয়ারম্যান। অন্যদিকে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চান আইসিসি কর্তারা। করোনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ চালুর ব্যাপারে ১৫ তারিখের মধ্যে সিদ্ধান্ত হওয়ার সম্ভাবনা।