বর্ষা এলেই মরশুমি অ্যালার্জিতে হয়রানি! জেনে নিন মুক্তির উপায়

বর্ষা এলেই মরশুমি অ্যালার্জিতে হয়রানি! জেনে নিন মুক্তির উপায়

আজ বাংলা: বর্ষাকাল এসে গেছে। আর এই বর্ষাকাল এলেই মরশুমি অ্যালার্জি আমাদের ঘিরে ধরে। ঘরের মধ্যে ভেজা স্যাঁতস্যাঁতে ভাব। রোদের অমিল। ভেজা জামাকাপড়ের ডাই হয়ে থাকে। নানা কারণেই ঘরের ভিতরটায় দূষণ বাড়ে। তার উপর করোনাভাইরাসের কালবেলায় বাড়ি থেকে বেরনো বন্ধ।

ফলে ঘরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার উপর বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন মানুষের। কারণ বর্ষাকালে নানা রোগের সঙ্গে অজান্তেই এসে হাজির হয় অ্যালার্জি। তবে কিছু ঘরোয়া উপায় আছে যেগুলো করলে অ্যালার্জির হাত থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। জেনে নিন কী কী সেই উপায়।

কীসে অ্যালার্জি বাড়ছে বা বাড়তে পারে বোঝার চেষ্টা...

ঋতু বদলালেই কি আপনার অ্যালার্জি শুরু হয়? তবে নিশ্চয়ই আপনি এতদিনে বুঝে গিয়েছেন যে এটি একটি সমস্যা আপনার। তবে অনেক সময় কোনও খাবার, কোনও বিশেষ সময়, কোনও বিশেষ কাপড়ের পোশাক, কোনও বিশেষ জিনিস থেকেও অ্যালার্জি শুরু হতে পারে। আর ধুলোবালি তো রয়েইছে। তবে মাস্কের কাপড় কী হবে তা খুব ভালো ভাবে জেনে বুঝে ব্যবহার করুন। করোনা থেকে বাঁচতে গিয়ে মাস্কের কাপড় থেকে উল্টে যেন অ্যালার্জি শুরু না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

নাক পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন: করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে বেশ কিছু নিয়ম পালনের কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। সেগুলি বাড়িতে থাকলেও অবশ্যই পালন করার নির্দেশ দিয়েছেন তাঁরা। যতবার টয়লেট যাচ্ছেন বা নির্দিষ্ট একটা সময় পর পর সাবান দিয়ে হাত ধোওয়াটাকে একটা অভ্যাসে পরিণত করে নিন। পাশাপাশি, যদি সর্দির ধাত থাকে তবে নিজের নাক সব সময় পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন। নাকের মাধ্যমেই মূলত অ্যালার্জির উপাদান শরীরের ভিতর ঢোকে। প্রয়োজনে স্টিম নিন, নাকের স্প্রে নিন। চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে ফেলুন।

ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখুন: ঘরবাড়ি পরিষ্কার না থাকলে মূলত ডাস্ট অ্যালার্জি হয়। এর কারণে হাঁচি, কাশি ছাড়াও চোখ-নাক থেকে অনবরত জল পড়ার সমস্যা, শ্বাসকষ্ট বা ত্বকে র‌্যাশও দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মুঠো মুঠো অ্যান্টি অ্যালার্জি ওষুধ খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে। তাই ডাস্ট অ্যালার্জির সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অ্যান্টি অ্যালার্জি ওষুধের বিকল্প হিসেবে কয়েকটি ঘরোয়া উপায় কাজে লাগানো যেতে পারে। প্রথমেই ঘরের পরিচ্ছন্নতা প্রয়োজন।

স্ট্রেস ও ঘুম: মদ, ভাজাভুজি, প্রসেসড খাবার, চিনি এসব থেকে আপনার শরীরে প্রচুর টক্সিন অর্থাৎ বিষ তৈরি হয়। এগুলির জেরে আপনার রোজকার মানসিক চাপ আরও বাড়ে। আপনি বুঝতেও পারেন না কী কারণে আপনি স্ট্রেসড আউট। ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। ঘুমের পরিমাণ বাড়াতে হবে। ভিটামিন সি যুক্ত ফল, হলুদ, আদা, বাদাম ও প্রচুর জল খান। গান শুনে চিন্তামুক্ত থাকুন। অ্যালার্জি কাছে ঘেঁষতে পারবে না।