সমীক্ষায় বলছে ধূমপায়ী ও নিরামিষাশীদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম

সমীক্ষায় বলছে  ধূমপায়ী ও নিরামিষাশীদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম

ধূমপায়ী এবং নিরামিষাশীদের করোনা (Corona) আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কম। সম্প্রতি একটি সমীক্ষা থেকে উঠে এল এমনই তথ্য। সায়েন্টিফিক ইনডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ(CSIR) এই সমীক্ষা করেছে বলে জানা যাচ্ছে। করোনা মূলত রোগীর ফুসফুসে থাবা বসাচ্ছে। তবুও এই সমীক্ষা অনুযায়ী ধূমপান যাঁরা করেন তাঁরা তুলনামূলক ভাবে সুরক্ষিত। এছাড়াও এই সমীক্ষা বলছে যাঁরা নিরামিষাশী তাঁরা ফাইবার জাতীয় খাবার বেশি খান।

ফলে কোভিড ১৯ এর বিরুদ্ধে শরীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতাও বেশি তৈরি হয় কারণ এর মধ্য়ে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান থাকে। গোটা দেশে এই সমীক্ষাটি করেন ১৪০ জন চিকিত্‍সক ও বিশেষজ্ঞরা। মূলত কার শরীরে কতটা অ্যান্টিবডি রয়েছে এবং আক্রান্ত হলে কে কতটা লড়তে সক্ষম তা দেখার জন্যই এই সমীক্ষা। ১০৪২৭ জন প্রাপ্তবয়স্কের উপরে এই সমীক্ষা করা হয়। এরা প্রত্যেকেই শহুরে ও শহরতলি এলাকার বাসিন্দা।

এদের উপরেই সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে যাঁরা ধূমপান করে ও নিরামিষ খাবার খান তাঁদের মধ্যে কোভিড ১৯ এর সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বেশি। এর আগে নিউ ইয়র্ক, চিন, ইটালি ও ফ্রান্সেরও দুটি সমীক্ষায় এই একই ফলাফল উঠে এসেছিল। সেখানেও বলা হয়েছিল ধূমপায়ীদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। দেখা গিয়েছিল অন্যদের তুলনায় ধূমপায়ীদের সংখ্যা কম আক্রান্তদের মধ্যে।

চিনের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছিল যাদের উপরে সমীক্ষা করা হয়েছে তাঁদের মধ্য়ে মাত্র ৬.৪ শতাংশ ধূমপান করেন। এর মধ্যেও অধিকাংশই আবার ধূমপান ছেড়ে দিয়েছিলেন কিছুদিন আগে। সেই গবেষণা থেকেও উঠে আসে ধূমপায়ীদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। কিন্তু পাশাপাশি চিকিত্‍সকরা এও সতর্ক করেছেন যে, ধূমপান করার সময়ে যেহেতু হাতের ব্যবহার করতে হয়, তাই সেখান থেকে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি ধূমপায়ীরা যদি আক্রান্ত হন তাহলে শ্বাসকষ্টের সম্ভাবনাও বেশি থাকে।