গজরাজের আতঙ্কে তঠস্ত, ঝাঁকে ঝাঁকে আগমন ঘটছে ১৩০টি বুনো হাতির, জারি সতর্কতা

গজরাজের আতঙ্কে তঠস্ত, ঝাঁকে ঝাঁকে আগমন ঘটছে ১৩০টি বুনো হাতির, জারি সতর্কতা

আজ বাংলা: গজরাজের আতঙ্কে তঠস্ত এবার তামিলনাড়ু। একে একে দল বেঁধে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্য সফর করছে হাতিরা। তাই যাতায়াতের মাঝে সমস্ত গ্রামবাসীকে সতর্ক করল বনদফতর। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, প্রায় ১৩০টির মতো বুনো হাতি কর্ণাটক থেকে তামিলনাড়ুর বনাঞ্চলের দিকে রওনা দিয়েছে।

আর যার ফলে সবচেয়ে বিপদের সম্মুখীন হতে পারে আন্তঃরাজ্য সীমানার কৃষ্ণাগিরি জেলার মানুষেরা। সফর পথে গ্রামের ফসল বা বাড়িঘর ভাঙুচুরের ঘটনা ঘটনার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না বন আধিকারিকরা। তাই আগাম সতর্কতা জারি করা হয়েছে দুই রাজ্যের সীমানাবর্তী সব জেলা ও এলাকাগুলিকে।

এই বিষয়ে হসুর ফরেস্ট ডিভিশনের জওয়ালগিরি জঙ্গল রেঞ্জের রেঞ্জার এম নাগারঞ্জন ইতোমধ্যেই জওয়ালগিরি ও থালি গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মোট ১৩০টি হাতির দল কর্ণাটক থেকে তামিলনাড়ুর জঙ্গলে প্রবেশ করেছে। দুটি ভাগ হয়ে জঙ্গলে ঢুকেছে তারা। একটি দলের মধ্যে ৭০টি হাতি রয়েছে। সেগুলি থাল্লি ফরেস্ট রেঞ্জের মধ্যে প্রবেশ করেছে ইতোমধ্যে। আর অন্যগুলি জওয়ালগিরি রেঞ্জের দিকে চলে গিয়েছে।

বনদফতর থেকে জানানো হয়েছে, হাতিরা সাধারণ পরিযায়ীর মতো সর্বত্র বিচরণ করে। প্রতি বর্ষার মরসুমে কর্ণাটকের বেন্নারঘাটা ফরেস্ট ডিভিশন থেকে তামিলনাড়ুর দিকে চলে আসে হাতির দল। ওই রেঞ্জার অফিসার আরও জানিয়েছেন, প্রথম দলটি আসে কর্ণাটক থেকে। তারা তামিলনাড়ুর জঙ্গলে প্রায় চারমাসের মতো থাকে। এই সময় এখানে রাগি, ভূট্টা, গম, যবের মতো ফসল উত্‍পাদন হয়। আর এই শস্যদানার লোভেই গ্রামাঞ্চলে ঢুকে পড়ে তারা। প্রায় প্রতিদিনই গ্রামে ঢুকে ফসল নষ্ট করার প্রবণতা থাকে। এই সময়টা তাদের মধ্যে চড়ুইভাতি শুরু হয়।