মাফ করবেন মাত্র ৪ হাজারে করোনা রুগীর চিকিৎসা করতে পারবো না

মাফ করবেন মাত্র ৪ হাজারে করোনা রুগীর চিকিৎসা করতে পারবো না
আজ বাংলা      জনস্বার্থ মামলা মোকদ্দমা ডাকিল করার পর বোম্বে হাই কোর্ট মহারাষ্ট্র সরকারের থেকে জানতে চায় বেসরকারি হাসপাতাল আর নার্সিং হোম গুলো অতিরিক্ত টাকা ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম এবং অন্যান্য টেস্ট কিটের জন্য নেওয়া হচ্ছে কিনা। সরকারের নিয়ম গুলো হাসপাতাল মেনে চলছে কিনা দেখার জন্য মুম্বাইয়ের একটি জনপ্রিয় পত্রিকা নার্সিং হোম গুলি দর্শন করে আসে। ৫০টার থেকেও কম রুগীদের বিছানা থাকা নার্সিং হোম গুলো বাইরে হারের তালিকা ঝোলানো আছে। করোনা আক্রান্ত রুগীর চিকিৎসার  জন্য খরজের পরিসর ১৮,৫০০ থেকে ৩৫,০০০ টাকা প্রত্যেক দিনের জন্য।  রক্ত পরীক্ষা আর ঔষধের খরজ আলাদা।  শুধু তাই নয়, নার্সিং হোম গুলোতে ১ লক্ষ্য থেকে ২ লক্ষ্য টাকা আমানত রাখতে হবে রুগী ভর্তি হওয়ার আগে। 12 সরকার করোনা আক্রান্ত রুগীদের বিছানার ভার  ৪,০০০ থেকে  ৭,৫০০ নগদ অবধি সীমাবদ্ধ করেছিল। এবং এই খরজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ঔষধ, ডাক্তারের ফি, নার্সিং, খাবার। সরকারের ঘোষণার পরেও, একটাও নার্সিং হোম ৪,০০০ টাকার কোনো রুগীকে বিছানা ছাড়তে অনিচ্ছুক। মুম্বাই বোরিভেলিতে ৪টে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে করোনা আক্রান্ত চিকিৎসার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত টাকা চার্জ করার জন্য। এই ৪টে হাসপাতালের নাম গুলো হচ্ছে -
  • লিফেলিনা মেডিকেয়ার হাসপাতাল (গোকুলধাম), করোনা রুগীদের বিছানার মূল্য চলছিল ১৮,৫০০ থেকে ২৭,৫০০ নগদ।
  • লাইফলাইন মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল (মালাদ ওয়েস্ট), করোনা রুগীদের বিছানার মূল্য চলছিল ১৯,৫০০ থেকে ২৯,৫৫০ নগদ।
  • অ্যাডভান্সড মূলত স্পেশালিটি হাসপাতাল (বিলে পারলে),  করোনা রুগীদের বিছানার মূল্য চলছিল ২০,০০০ থেকে ৩০,০০০ নগদ।
  • সঞ্চিতি সুপারস্পেশালিটি নার্সিং হোম (কার্ণিভালই ইস্ট),  করোনা রুগীদের বিছানার মূল্য চলছিল ২০,০০০ থেকে ৩৫,০০০ নগদ।  তাছাড়া, ১.৫৪ লক্ষ্য টাকা আমানত রাখতে হবে।