সিএএ-র সমর্থনে এগিয়ে এলেন দক্ষিণের সুপারস্টার রজনীকান্ত।

আজবাংলা    নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন এবং জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন থালাইভা রজনীকান্ত।ডিসেম্বর মাসে সংসদে সিএএ বিল পেশ হয়। তারপর থেকেই এই বিতর্কিত বিলের বিরুদ্ধে উত্তাল গোটা দেশ। অভিযোগ, এই আইন কার্যকর হলে দেশের মুসলিমদের ঠাঁই হারাতে হবে। এবার সেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন(সিএএ) এর সমর্থনে মুখ খুললেন দক্ষিণের সুপারস্টার রজনীকান্ত। তাঁর অভিযোগ, সিএএ নিয়ে আম জনতাকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। এতে ভারতীয় মুসলিমদের আদৌ কোনও ক্ষতি হবে না। থালাইভার কথায়, বহিরাগতদের চিহ্নিত করতে NPR জরুরী। বুধবার সংবাদ সংস্থা ANI-কে দেওয়া সাক্ষাত্‍কারে রজনীকান্ত জানান, 'সিএএ নিয়ে দেশের মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। এই আইনে দেশের মুসলিমদের কোনও ক্ষতি হবে না। দেশভাগের সময় এঁরা ভারতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তাঁদের সিদ্ধান্তকে প্রতিটি ভারতীয় সম্মান করেন। তাই সিএএ'র জন্য দেশের একটি মুসলিমের কোনও ক্ষতি হলে, আমি সবার আগে রুখে দাঁড়াব।' একইসঙ্গে তিনি NPR-এর স্বপক্ষেও সরব হন। রজনীকান্তের কথায়, '২০১০ সালে কংগ্রেস এটা করেছিল। ২০১৫ সালেও NPR হয়েছিল। দেশের বহিরাগতদের চিহ্নিত করতে এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। আমি বুঝতে পারছি না, এটা নিয়ে কি সমস্যা হয়েছে!' এই দক্ষিণি সুপারস্টারের আশঙ্কা, রাজনৈতিক নেতারা পড়ুয়াদের ভুল বুঝিয়ে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির কাজে ব্যবহার করছে। তাই দেশের ভবিষ্যত্‍ প্রজন্মের কাছে তাঁর আবেদন, 'এই আইনটা সম্পর্কে আগে ভাল করে জানো। আইনটা পড়ো। প্রয়োজনে বাড়ির বড়দের কিংবা অধ্যাপকদের সাহায্য নাও। তারপর না হয় এর বিরোধিতা কর। নয়তো রাজনীতিবিদরা তোমাদের ব্যবহার করে নেবে।'তিনি জানান, ‘হিংসা কোনও সমস্যার সমাধান হতে পারে না’। উল্লেখ্য, রজনীকান্তের বন্ধু তথা মাক্কাল নীধি মাইনম প্রধান কমল হাসান প্রকাশ্যে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধীতা করেছেন।  কমল হাসান এই আইনকে সংবিধানবিরোধী এবং সাম্প্রদায়িক আইন বলে উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্টেরও দারস্থ হয়েছেন।