৪ লক্ষ টাকার জাল নোট সমেত ধৃত ক্লাস সেভেনের ফার্স্ট বয় আব্দুল সালাম

৪ লক্ষ টাকার জাল নোট সমেত ধৃত ক্লাস সেভেনের ফার্স্ট বয় আব্দুল সালাম

 

জালনোট পাচারে মেধাবী স্কুল ছাত্র আটক।  তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার ৪ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার জাল নোট। এমন কান্ডে স্তম্ভিত পুলিশ। ঘটনা মালদার কালিয়াচকের ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা গোলাপগঞ্জে।নাবালকের নাম আব্দুল সালাম। স্থানীয় একটি বেসরকারি স্কুলে সপ্তম শ্রেণির প্রথম স্থানাধিকারী ছাত্র সে। গোলাপগঞ্জের সাধারিটোলায় বাড়ি। বাবা রবিউল সেখ। 

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ১২ বছরের আব্দুল সালামকে ধরে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৫০০ টাকার ৪০০ টি জাল নোট এবং ২০০০টাকার ১২০ টি জালনোট। পুলিশ মনে করছে নাবালক স্কুল ছাত্রদের এখন ব্যবহার করছে জালনোট পাচারকারীরা। সালামও সেই জাল নোট গুলি কারো হাতে পৌঁছে দিতে যাচ্ছিল। মুলত ক্যারিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে তাঁদের। এখন পুলিশ জেরা করছে তাঁকে

। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, রবিবার রাতে কালিয়াচক থানার গোলাপগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ অভিযান চালায়। শাহবাজপুরের ওই ছাত্রের থেকে মিলেছে ৪০০টি ৫০০ টাকার জাল নোট এবং ১২০টি দু’হাজার টাকার জাল নোট। এমন কাণ্ডে স্তম্ভিত পুলিশও। ধৃত ওই ছাত্রের বাড়ি মালদহের কালিয়াচকের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন সাধারিটোলায় বাড়ি। ধৃতের বাবা পেশায় দিনমজুর। ছেলের এই কাণ্ডে হতাশ তিনিও। তদন্তকারীরা মনে করছেন, দীর্ঘ দিন ধরেই জালনোট পাচারকারীরা নাবালক ছাত্রদের ব্যবহার করছে।

সেই ফাঁদে পড়েছে ওই ছাত্রটিও। সে ওই বিপুল পরিমাণ জাল নোট কারও হাতে পৌঁছে দিতে যাচ্ছিল। মূলত ‘ক্যারিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল তাদের। ধৃতকে জেরা করে পুলিশ জাল নোট চক্রের মূল চাঁইকে ধরার চেষ্টা করছে। মালদহের পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানিয়েছেন, জাল নোটের কারবারি দমনে পুলিশ সক্রিয়। তারই সাফল্য মিলেছে বলে দাবি পুলিশ সুপারের।