শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরী হলের ১০৮ তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত হল

মলয় দে আজবাংলা শান্তিপুর রবিবার শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরি হলে অনুষ্ঠিত হলো শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরীর ১০৮ তম প্রতিষ্টাবার্ষিকী অনুষ্ঠান । উক্ত অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক ভাবে শুভ সূচনা হয় বিকাল ৪ টে ৩০ মিনিট নাগাদ । এই অনুষ্ঠানটির প্রদীপজ্জ্বলনের মাধ্যমে শুভ সূচনা করেন শান্তিপুর পৌরসভার পৌরপাতি অজয় দে মহাশয়। ২০১৯ সালে শান্তিপুর পৌরসভা এলাকার বিদ্যালয় সমূহের মধ্যে মাধ্যমিক - উচ্চমাধ্যমিক সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপকদের সংবর্ধনা যাপন করা হয় । এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শান্তিপুর পৌরসভার উপ: পৌরপতি আব্দুল সালাম কারিগর সাহেব , বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব কৌশিক চ্যাটার্জি মহাশয় , বিশিষ্ট শিক্ষক অশোক দত্ত এবং শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরী পরিচালন মন্ডলীর সভাপতি রঞ্জিত নাথ , সম্পাদক স্বপন মঠ , সহ আরো অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ । এই সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন অভিষেক দত্ত।তাৎপর্যপূর্ণভাবে উল্লেখ্য বিষয় হলো যে , এ বছরে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনুপ্রেরণায় কলকাতার নজরুল মঞ্চে বিশ্ব গ্রন্থাগার দিবস অনুষ্ঠানে নদীয়া শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরী কে নদীয়ার শ্রেষ্ঠ লাইব্রেরী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয় । শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরী পক্ষ থেকে ওই বিশেষ স্মারক পুরস্কারটি গ্রহণ করেন শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরীর পরিচালন মণ্ডলীর সম্পাদক শ্রী স্বপন মঠ , লাইবেরিয়ার প্রবীর বাবু ও সদস্য মেঘনা চ্যাটার্জী ।তবে এই দিন অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরী কে কিছু পুস্তক ক্রয় করার জন্য , শান্তিপুর পৌরসভার পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হবে বলে শান্তিপুর পৌরসভার পৌরপতি অজয় মহাশয় জানিয়েছেন ‌।প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করা যায় যে , শান্তিপুর শহরে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সামাজিক ধর্মীয় সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের সাক্ষী এই শতাব্দী প্রাচীন শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরী মঞ্চ ও তার সংলগ্ন ময়দান শান্তিপুর শহরের পথঘাট , শৌচাগার , বৈদ্যুতিক আলো বা অন্য অন্য বিভিন্ন ধরনের পৌর পরিষেবা যেভাবে উন্নতি বা আধুনিকরণ হয়েছে , শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরী সেইভাবে কোন দৃষ্টিগোচর হয়নি । কিন্তু শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরীতে সারা বছরই বিভিন্ন ধরনের সংগঠন কর্তৃক নানা ধরনের অনুষ্ঠান মঞ্চস্থ হলো লাইভ এটিকে আধুনিকরনের উদ্যোগ কর্তৃপক্ষ বা সরকারের পক্ষ থেকে কেন নেয়া হলো না , এই বিষয়ে বিস্তর প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে শান্তিপুরের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আম-জনতার মনে । শান্তিপুরের সাধারণ মানুষের একটাই ইচ্ছে যে , শতাব্দীপ্রাচীন এই পাবলিক লাইব্রেরীর একটু আধুনিকরণ করা হোক ।