তৃণমূলের কাছ থেকে রামজীবনপুর পুরসভা নিজেদের দখল নিশ্চিত করল বিজেপি।

আজবাংলা রামজীবনপুর শিবরাম দাসকে নিয়ে রামজীবনপুর পুরসভায় তৃণমূলের অন্তঃকলহ নতুন কিছু নয়। লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই শিবরামবাবুর দলবদল নিয়ে জল্পনা ছিলই। এদিন বিজেপিতে যোগ দিয়ে সেই জল্পনার অবসান ঘটালেন তৃণমূলের ওই কাউন্সিলর। এদিন বিজেপির রামজীবনপুর দলীয় কার্যালয়ে শিবরাম দাসের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন রামজীবনপুর মণ্ডলের সভাপতি নন্দ নিয়োগী। রামজীবনপুরে তৃণমূলের প্রথম সারির নেতা ছিলেন শিবরাম দাস। পুরসভার চেয়ারম্যানের পাশাপাশি ২০০৯ লোকসভা নির্বাচনে আরামবাগ লোকসভা আসনে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েও দাঁড়িয়েছিলেন তিনি, যদিও তত্‍কালীন সিপিএমের প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন তিনি। শিবরামবাবু বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যানের স্বজন পোষণ ও দুনীর্তির কারণেই আমি দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলাম। এদিন তৃণমূলের ঘর ভেঙে রামজীবনপুর পুরসভা একপ্রকার নিজেদের দখলে নেওয়ার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করল বিজেপি।১১ টি ওয়ার্ড নিয়ে রামজীবনপুর পুরসভায় তৃণমূলের দখলে ছিল ৬ টি ও বিজেপির দখলে ছিল ৫ টি। ওই পুরসভায় তৃণমূলের প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবং বর্তমানে ২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের কাউন্সিলর শিবরাম দাস মঙ্গলবার বিজেপিতে চলে যাওয়ায় বিজেপির দখলে ৬ টি ও তৃণমূলের দখলে রইল ৫ টি ওয়ার্ড। আর এতেই উজ্জীবিত বিজেপি নেতৃত্ব, পুরবোর্ড নিজেদের দখলে নেওয়ার তোড়জোড় শুরু বিজেপির।