মহকুমা হাসপাতালের নিখোঁজ রোগীর মৃতদেহ উদ্ধার হল নর্দমায়

মহকুমা হাসপাতালের নিখোঁজ রোগীর মৃতদেহ উদ্ধার হল নর্দমায়
আজবাংলা  দুর্গাপুর :    ফের গাফিলাতির অভিযোগ। দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের নিখোঁজ রোগীর মৃতদেহ উদ্ধার হল নর্দমায়। বৃহঃস্পতিবার ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল শিল্পশহরে। প্রশ্ন উঠেছে, হাসপাতালের রোগীর নজরদারিতে।পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, মৃতের নাম সৌমেন দাস (৩২)। ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের গণতন্ত্র পল্লীর বাসিন্দা। পেশায় গাড়ি চালক। গত মঙ্গলবার পেটে ও বুকে ব্যাথা নিয়ে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সৌমেনবাবু'কে। কিন্তু হাসপাতালে ওইদিন প্রসূতি বিভাগে এক মহিলা করোনা আক্রান্ত হয়। ফলে পরিবারের লোকজন হাসপাতালে না গিয়ে ফোনের মধ্যমে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। বুধবার তাঁর বাবা সন্তোষ দাস হাসপাতালে কিছুক্ষণের জন্য দেখাও করেন। পরিবারের দাবি, তিনি ভালো চিকিত্‍সা হওয়ার জন্য সুস্থ হয়ে উঠে ছিলেন। এদিন ভোরে নিউটাউনশিপ থানার সুভাষ পল্লী এলাকার বড় নর্দমার জলে মধ্যে একটি যুবককে পড়ে থাকতে দেখা যায়। আশপাশের এলাকাবাসী জড়ো হয়ে যুবককে শনাক্ত করে কয়েকজন। খবর দেওয়া হয় তাঁর পরিবারের লোকজন ও পুলিস'কে। ওই যুককের মা সুচিত্রাদেবী ঘটনাস্থলে এসে সৌমেনবাবুর জামা দেখে শনাক্ত করে। সুচিত্রাদেবী নিজেই নর্দমায় নেমে একাই তাঁকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিত্‍সকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। সুচিত্রাদেবী বলেন, "আমরা ছেলে সুস্থ হয়ে গিয়েছেল। হাতে স্যালাইনের চ্যানেল নিয়ে কি ভাবে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসলো। হাসপাতালের গাফিলতি কারনে আমার ছেলের মৃত্যুু হয়েছে।" হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ইন্দ্রজিত্‍ মাজি বলেন, " এদিন ভোর তিনটে ১৫ নাগাদ থেকে ওই রোগী হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলো। সকালে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। কি ভাবে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে গেল খতিয়ে দেখার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।" এদিন মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করা হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।